নজরবন্দি ব্যুরোঃ ‘বিজেপি নেতা মানেই চূড়ান্ত কাপুরুষ’, হাথরাস গণধর্ষণ কাণ্ড নিয়ে তোলপাড় গোটা দেশ। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে অভিনেতা-অভিনেত্রী ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন সকলেই । স্বভাবতই চাপের মুখে বিজেপি সহ উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথের সরকার। আন্দোলনের পথে নেমে পড়েছে কংগ্রেস এবং তৃণমূল কংগ্রেস। প্রতিবাদে মুখ খুলেছেন যোগীর দলের নেত্রী উমা ভারতীও । তবে ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মৌনতা নিয়ে আগেই প্রশ্ন তুলেছিলেন টলিউড অভিনেত্রী তথা তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহান ।
আরও পড়ুনঃ যোগিরাজ্যে গ্যাংরেপ, কালো কাপড় হাতে প্রতিবাদ মিছিল মমতার।


এবার বিজেপি নেতাদের সরাসরি ‘কাপুরুষ’ বললেন বসিরহাটের সাংসদ। আজ টুইটারে ‘বিজেপি হটাও বেটি বাঁচাও’ হ্যাশট্যাগ দিয়ে তিনি লেখেন, ‘বিজেপি নেতা মানেই চূড়ান্ত কাপুরুষ! যে সংখ্যক মহিলা এবং দলিতদের নির্যাতন আপনার শাসনকালে হয়েছে, তা আর কতদিন লুকিয়ে রাখবেন নরেন্দ্র মোদিজি? আমরা আমৃত্যু লড়ে যাব।’ উলেক্ষ্য, গত ১৪ সেপ্টেম্বর হাথরাসে গণধর্ষণের মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। মা ও ভাইয়ের সঙ্গে মাঠে ফসল তুলতে গিয়েছিলেন দলিত তরুণী। অভিযোগ, চার-পাঁচ জন উচ্চবর্ণের ব্যক্তি তাঁকে লাগাতার ধর্ষণ করে।
জিভ কেটে নেয়। অত্যাচারের চোটে তাঁর শিড়দাঁড়ার হাড় ভেঙে যায়। তারপরও রেহাই মেলেনি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে ভরতি করা হয়। পরে পরিস্থিতির অবনতি হলে দিল্লির হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। টানা দুই সপ্তাহের লড়াইয়ের পর তাঁর মৃত্যু হয়। তরুণীর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই নেটিজেনরা বিচারের দাবিতে সরব হন। এরই মাঝে রাতের অন্ধকারে ক্ষেতের মাঝে যুবতীর দেহ পুড়িয়ে দেয় যোগী প্রশাসনের পুলিশ। ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই উত্তাল হয় গোটা দেশ।
‘বিজেপি নেতা মানেই চূড়ান্ত কাপুরুষ’, রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর পাশাপাশি প্রতিবাদে সোচ্চার হয়ে পুলিশী নিগ্রহের শিকার হন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনও । এরই প্রতিবাদে আজ শহরের রাস্তায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে প্রতিবাদ মিছিল করা হয়। সেখানেও কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয় গেরুয়া শিবিরকে। ডেরেকের হেনস্তার ভিডিও শেয়ার করে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ এবং প্রশাসনকে নির্লজ্জ বলে কটাক্ষ করেছেন মিমি চক্রবর্তীও ।









