যৌন হেনস্থার কোনও প্রমাণ মেলেনি, ব্রিজভূষণের বিরুদ্ধে মামলা খারিজের আর্জি দিল্লি পুলিশের

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো: জাতীয় কুস্তি ফেডারেশনের সভাপতি তথা বিজেপি সাংসদ ব্রিজভূষণ শরণ সিংহের বিরুদ্ধে নাবালিকাকে যৌন হেনস্থার কোনও প্রমাণ এখনও মেলেনি। বৃহস্পতিবার দিল্লির পাতিয়ালা আদালতে চার্জশিট পেশ করে এমনটাই জানালো দিল্লি পুলিশ। সেখানেই ব্রিজভূষণ সিংহের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া পকসো ধারায় মামলাটি খারিজের আর্জি জানাল তাঁরা। অভিযোগকারী নাবালিকা কুস্তিগিরের বাবা জানিয়েছেন, খেলা থেকে বাদ পড়ায় ব্রিজভূষণের বিরুদ্ধে মাথা গরম করে অভিযোগ করা হয়েছিল। তাই মামলাটি তাঁরাই তুলে নিয়েছেন।

আরও পড়ুন: নজরে পঞ্চায়েত ভোট, মনোনয়ন পর্ব শেষ হতেই অভিষেক-মমতার মেগা বৈঠক

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে পকসো ধারাটিকে আইনে সংযোজন করা হয়েছিল। মূলত, অপ্রাপ্তবয়স্ক কোনও মানুষকে যৌন হেনস্থা করলে এই আইনটি কার্যকর হয়। দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় কুস্তি ফেডারেশনের সভাপতি ব্রিজভূষণ শরণ সিংহের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ তুলে আন্দোলন করছেন বজরং পুনিয়া, সাক্ষী মালিকের মতো প্রথম শ্রেণির কুস্তিগিররা। এরপর অভিযোগ আনেন এই নাবালিকা। এখন বিজভূষণের বিরুদ্ধে অভিযোগটি মিথ্যে প্রমাণ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা।

ব্রিজভূষণের বিরুদ্ধে মামলা খারিজের আর্জি দিল্লি পুলিশের

পূর্বপ্রতিশ্রুতি মতো আজ অর্থাৎ, ১৫ই জুন ব্রিজভূষণ সিংহের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করার কথা ছিল দিল্লি পুলিশের। সেই মতো ১০০০ পাতার একটি চার্জশিট পাতিয়ালা আদালতে জমাও দিয়েছে তাঁরা। চার্জশিটে আইপিসি ৩৫৪,৩৫৪ডি, ৩৪৫এ এবং ৫০৬(১) ধারার কথা উল্লেখ রয়েছে। বয়ান নেওয়া হয়েছে ১৫০ জনের। যদিও সূত্রের খবর, চার্জশিটটি নাকি একেবারেই ‘দুর্বল’। ফলে ব্রিজভূষণের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলি আদৌ ধোপে টিকবে কিনা বলা মুশকিল।

যৌন হেনস্থার কোনও প্রমাণ মেলেনি, মাথা গরম করে অভিযোগ করা হয়েছিল 
যৌন হেনস্থার কোনও প্রমাণ মেলেনি, মাথা গরম করে অভিযোগ করা হয়েছিল

উল্লেখ্য, টানা ৪৫ দিন আন্দোলন চলার পর কেন্দ্রের আস্থা পেয়ে আন্দোলনস্থল ত্যাগ করেন কুস্তিগিররা। তাঁরা দেখা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে। এরপরই তড়িঘড়ি ক্রীড়ামন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর বিষয়টি হস্তক্ষেপ করেন এবং কুস্তিগিরদের আশ্বাস দেন যে সমস্যাটির সমাধান করা হবে। এরই মধ্যে নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র গোন্ডায় মিছিল করেন ব্রিজভূষণ। সেখানে তিনি বলেন, “অভিযোগ নিয়ে আমি কোনও মন্তব্য করব না। আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।“

যৌন হেনস্থার কোনও প্রমাণ মেলেনি, মাথা গরম করে অভিযোগ করা হয়েছিল 

যৌন হেনস্থার কোনও প্রমাণ মেলেনি, মাথা গরম করে অভিযোগ করা হয়েছিল 

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন