নজরবন্দি ব্যুরো: অবতরণের একেবারে শেষ পর্যায়ে রয়েছে ভারতের চন্দ্রযান। আগামী বুধবার সন্ধ্যে ৬টা ০৪মিনিটে পাখির পালকের মতো চাঁদের মাটিতে নামবে ল্যান্ডার ‘বিক্রম’। এদিকে চাঁদে পৌঁছাবার আগেই ভেঙে পড়েছে রাশিয়ার ‘লুনা-২৫’। মহাকাশবিজ্ঞানীদের মতে, অন্তিম কয়েক কিলোমিটার পার করাই সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা। আশায় বুক বাঁধছেন আপামর দেশবাসী। করছেন প্রার্থনা। এখন, একটাই প্রশ্ন, রাশিয়া পারেনি, ভারত পারবে তো?
আরও পড়ুন: রুদ্ধশ্বাস অপেক্ষা, বিক্রমের সফট ল্যান্ডিং এর আগে চাঁদের ছবি প্রকাশ করল ইসরো
সুপার ব্লু মুনের সময়ই চাঁদে মহাকাশযান পাঠাবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। সব কিছু ঠিক থাকলে, আগামী বুধবার সন্ধ্যে ৬টা ০৪মিনিটে চাঁদের দেশ ছোঁবে ভারতের মহাকাশযান। ইতিমধ্যেই চাঁদের প্রথম ছবি প্রকাশ করেছে ইসরো। কিন্তু, রাশিয়ার মতো প্রযুক্তিগত দিক থেকে উন্নত দেশও তাঁদের চন্দ্রযানকে অবতরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে, তাহলে ভারতের চন্দ্রযান কী করবে তা নিয়েই আশঙ্কা প্রকাশ করছেন অনেকে। কারণ, চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করা সবচেয়ে কঠিন। এর আগে কোনও দেশ সেই কাজ করেনি। সফল হলে ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে ভারতের নাম।
Chandrayaan-3 Mission:
সদ্য প্রকাশিত
রাজ্য সরকারি স্কুলে নতুন শিক্ষকদের রাজনীতি নিষিদ্ধ! মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত ঘিরে বিতর্ক
মেষ রাশির আজকের রাশিফল – ২৯ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবারHere are the images of
Lunar far side area
captured by the
Lander Hazard Detection and Avoidance Camera (LHDAC).This camera that assists in locating a safe landing area — without boulders or deep trenches — during the descent is developed by ISRO… pic.twitter.com/rwWhrNFhHB
— ISRO (@isro) August 21, 2023
অধ্যাপক অন্নাপুর্ণি সুব্রহ্মণ্যম জানিয়েছেন, “চাঁদের মাটিতে যে সমান জায়গাতেই চন্দ্রযান অবতরণ করবে, তার কোনও নিশ্চয়তা নেই। চন্দ্রযান যথেষ্ট ভারী, ফলে এবড়ো খেবড়ো জায়গায় অবতরণ করলে সেটির উল্টে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা। চাঁদে রওনা দেওয়ার আগে একাধিকবার এর মহড়া দেওয়া হলেও আসল সময়ে কী হয়, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ চাঁদে গোটা বিষয়টিই হবে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে। অবতরণের জন্য কোন জায়গাটা সবথেকে উপযুক্ত, তা বেছে নিতে হবে চন্দ্রযানকেই। ফলে চন্দ্রযানের মধ্যে থাকা সফটওয়্যার বাইরে থেকে ঠিকঠাক তথ্য পাচ্ছে কি না, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তার ভিত্তিতেই অবতরণের সিদ্ধান্ত নেবে সে।”

এখনও পর্যন্ত সবকটি ধাপই সফলভাবে পার করেছে ভারতের ‘চন্দ্রযান-৩’। রবিবারের পাওয়া আপডেট অনুযায়ী চাঁদ থেকে ল্যান্ডারের সর্বনিম্ন দূরত্ব ২৫কিলোমিটার এবং সর্বোচ্চ দূরত্ব ১৩৪ কিমি। রবিবার রাত ২টো থেকে গতি কমানো শুরু করেছে ইসরোর মহাকাশযান। এখন, অবতরণের মতো উপযুক্ত জায়গা খুঁজে সেখানে নামবে ‘বিক্রম’। কারণ, চাঁদের মাটি খুবই এবড়ো খেবড়ো। অন্যদিকে, রাশিয়ার ব্যর্থতা নিয়ে ভাবতে নারাজ ভারতীয় বিজ্ঞানীরা। তাঁদের দাবি, ভারত চাঁদমারিতে সফল হবেই!

অন্তিম কয়েক কিলোমিটার পার করাই সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা, ব্যর্থ রাশিয়া, ভারত পারবে তো?




