নজরবন্দি ব্যুরো: ক্রমশ এগিয়ে আসছে ‘ডেডলাইন’। বাড়ছে টেনশন। চার বছর আগে এই পর্যায়ে স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ায় এবার উত্তেজনা এবং উদ্বেগের মাত্রা স্বভাবতই বেশি। তারইমধ্যে ‘সফট ল্যান্ডিং’-র ক্ষেত্রে চন্দ্রযান ৩-র ল্যান্ডারকে সবথেকে কঠিন কোন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে।
আরও পড়ুন: গন্তব্য থেকে সর্বনিম্ন দূরত্ব ২৫ কিমি, ‘চন্দ্রযান-৩’-এর পরবর্তী স্টপেজ ‘চাঁদ’!
আর সেটাই বড় পরীক্ষা। আগামী বুধবার ভারতীয় সময় অনুযায়ী ঠিক সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে চাঁদের মাটিতে পা রাখার কথা তার। কিন্তু অবতরণ কোথায় হবে? চাঁদের দক্ষিণ মেরুর দুর্গম খানাখন্দে ভরা মাটিতে বিক্রমের প্রয়োজন অপেক্ষাকৃত মসৃণ জমি। আপাতত সেই সন্ধানেই রয়েছে ইসরো।

সোমবার সকালে চন্দ্রপৃষ্ঠের চারটি ছবি প্রকাশ করেছে ইসরো। গর্তে ভরা অসমান জমি রয়েছে চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে। ছবি দেখেই পরিষ্কার, একেবারে এবড়ো-খেবড়ো এলাকায় সফট ল্যান্ডিং করবে ভারতের বিক্রম। প্রসঙ্গত, এই অঞ্চলে নামতে গিয়েই রবিবার ভেঙে টুকরো হয়ে গিয়েছিল রুশ চন্দ্রযান লুনা ২৫।

২০১৯ সালে ধ্বংস হয়েছিল ভারতের চন্দ্রযানও। তবে ২০২৩ সালের চন্দ্রযানে এখনও পর্যন্ত কোনও বিপত্তি ঘটেনি। চন্দ্রপৃষ্ঠে নামার শেষ কক্ষপথেও সফল ভাবে ঢুকে পড়েছে ভারতের বিক্রম। ইসরো জানিয়েছে, চাঁদের জমিতে পাথর ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। সেই সঙ্গে রয়েছে অনেক ছোট বড় গর্ত। উঁচু ঢিবিও প্রতিবন্ধক হয়ে উঠতে পারে।
রুদ্ধশ্বাস অপেক্ষা, বিক্রমের সফট ল্যান্ডিং এর আগে চাঁদের ছবি প্রকাশ করল ইসরো

ইসরোর প্রাথমিক লক্ষ্য হল, পাথর বা গর্ত এড়িয়ে অপেক্ষাকৃত ফাঁকা স্থান আগে চিহ্নিত করা। তার পর সেখানে বিক্রমকে নামানো হবে। চার বছর আগে এই পর্যায়ে এসে ব্যর্থ হয়েছিল চন্দ্রযান-২। তবে এ বার তেমন সম্ভাবনা নেই বলেই দাবি ইসরোর। বড় কোনও বিপত্তি না হলে চাঁদের মাটিতে শীঘ্রই নামতে চলেছে বিক্রম। সে দিকে তাকিয়ে গোটা দেশ।
Chandrayaan-3 Mission:
Here are the images of
Lunar far side area
captured by the
Lander Hazard Detection and Avoidance Camera (LHDAC).This camera that assists in locating a safe landing area — without boulders or deep trenches — during the descent is developed by ISRO… pic.twitter.com/rwWhrNFhHB
— ISRO (@isro) August 21, 2023



