সোমবার রাতে সারা দেশ জুড়ে কার্যকর হয়েছে সিএএ। কেন্দ্রীয় সরকারের এই আচমকা সিদ্ধান্তে বিতর্কের ঝড় উঠেছে সারা দেশ জুড়ে। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে সরব হয়েছে বিরোধীরা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সিএএ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, হাবড়ার সভা থেকে বলবেন তিনি। কেন্দ্রে সিএএ চালু হতেই মতুয়া ভোট হাতে রাখতে রাজ্যে পাল্টা তপসিলি জনজাতির ভোট টানতে বিশেষ কর্মসূচি শুরু তৃণমূলের।



আরও পড়ুন : লোকসভায় নজরে মতুয়া ভোট, আজ নজরুল মঞ্চে জরুরী বৈঠকে অভিষেক
আজ থেকেই নতুন এই কর্মসূচি ‘তফসিলির সংলাপ’ চালু করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রত্যেক এলাকায় যাবে প্রচার গাড়ি। কাল সিএএ কার্যকর হওয়ার পর মতুয়াগড়ে দেখা গিয়েছিলেন উচ্ছ্বাসের চিত্র। বিজ্ঞপ্তি জারীর পরেই নবান্ন থেকে গর্জে ওঠে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সব প্রকল্পগুলি সাধারণ মানুষ সঠিকভাবে পাচ্ছেন কিনা সেটা খতিয়ে দেখতে রাজ্যের প্রত্যেকটি বিধানসভায় ‘তফসিলির সংলাপ’ নামক গাড়ি চালু করা হয়েছে।



মোদী সরকার কীভাবে তফসিলিদের অত্যাচার করছে সেই বিষয়টি নিয়ে প্রচার চালানো হবে। কেন্দ্রীয় সরকার যে তফসিলি সম্প্রদায়ের মানুষকে দিনের পর দিন বঞ্চিত করছেন সেটা এই গাড়িতে ঘুরে ঘুরে এলাকায় প্রচার চালানো হবে।তৈরি করা হয়েছে একটি প্রচার পুস্তিকাও। আগামী ১৫ মার্চ থেকে রাজ্য জুড়ে প্রচারে নামছে তৃণমূল। নির্বাচনী প্রচারে শাসকদলের এটাই মাস্টারস্ট্রোক।

CAA চালু হতেই পাল্টা রাজ্যজুড়ে ‘তপসিলির সংলাপ’, ২৪- র নির্বাচনী প্রচারে মাষ্টারস্ট্রোক মুখ্যমন্ত্রীর
সূত্রের খবর, ৬০০০-এরও বেশি এলাকায় যাবে তৃণমূলের প্রচার টিম। ৩৫০০ জন নেতার নেতৃত্বে প্রচারে নামছে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। ১৫০টি প্রচার গাড়ি নামবে অভিযানে। প্রত্যেক এলাকায় ৩ থেকে ৫ জায়গায় সভা হবে। ‘তফসিলির সংলাপ’ কর্মসূচি প্রচারে নয়া গতি আনতে নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।







