সোমবার রাতে সারা দেশ জুড়ে কার্যকর হয়েছে সিএএ। কেন্দ্রীয় সরকারের এই আচমকা সিদ্ধান্তে বিতর্কের ঝড় উঠেছে সারা দেশ জুড়ে। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনকে ‘বৈষম্যমূলক’ বোলে দাবী করে সুপ্রিম কোর্টের দারস্থ হল মুসলিম পক্ষ। সিএএ- র অধীনে আফগানিস্তান, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে আসা হিন্দু, শিখ, জৈন, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ ও পার্সি ধর্মের লোকেরা নাগরিকত্ব পাবে।



আরও পড়ুন : CAA নিয়ে মুসলিম ভাইবোনেদের কোনও চিন্তা নেই, আশ্বাস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর!
এর মধ্যে কেন মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি সেই নিয়ে তাদের বিক্ষোভ। বিরোধীদের দাবী সিএএ নিয়ে জাতিগত ভেদাভেদ আছে। সেই কারণে ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলীম লীগ সিএএ কার্যকরণে স্থগিতাদেশ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে গেছে। সিএএ কার্যকর হওয়ার পর এই পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ। তাদের অনুমান এদেশ থেকে শুধু মুসলিমদের বিতাড়িত করার জন্য সিএএ চালু করা হল।



যদিও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আশ্বাস দিয়েছেন, সিএএ নাগরিকত্ব কাড়ার আইন নয় দেওয়ার আইন। প্রধানত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, বাংলাদেশ থেকে ধর্মীয় অত্যাচারের কারণে এই দেশে আগত ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে আসা শরনার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানান, ‘দেশে সংখ্য়ালঘু বিশেষ করে মুসলিম সম্প্রদায়কে উস্কানি দেওয়া হচ্ছে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আশ্বাসবাণী সত্ত্বেও ‘CAA’ কার্যকর হওয়ার একদিন পরেই সুপ্রিম কোর্টে মুসলিমরা
২০১৯ এ সংসদের দুই কক্ষে পাশ হওয়ার পরে ২০২০ সালে তা আইনে পরিণত হয়। তার পর ৪ বছরের অপেক্ষা। ২০২৪ এর ১১ মার্চ থেকে কার্যকর হল সিএএ। নাগরিকত্বের জন্য আবেদন পুরোটাই অনলাইনের মাধ্যমে হবে। এমনটাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। নির্দিষ্ট পোর্টালের মাধ্যমে সেই আবেদন করতে হবে।








