নজরবন্দি ব্যুরো: আজ বাইশে শ্রাবণ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণদিবস। আর আজ, রাজভবনে কবিগুরুর প্রয়াণ দিবস পালনের অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত ‘চিত্ত যেথা ভয় শূন্য উচ্চ যেথা শির’ কবিতাকে কিছুটা পাল্টে নাম না করে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে কটাক্ষ করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তিনি বলেন, “রবীন্দ্রনাথের ঠাকুরের বাংলা ‘সন্ত্রাস, হিংসা, দুর্নীতিতে ভরে গিয়েছে’, সে কারণে আমার ‘চিত্ত ভয়যুক্ত’, ‘মাথা হেঁট’ হয়ে রয়েছে”। এই মন্তব্যের পর রাজ্যপালকে কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।
আরও পড়ুন: কেউ ৬ লাখ, কেউ ৫ লাখ, জেলে যাওয়া চার শিক্ষক কীভাবে চাকরি কেনেন? উত্তর CBI চার্জশিটে


রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত কোনও নতুন খবর নয়। শিক্ষাক্ষেত্রেও একাধিক বিষয় নিয়ে এর আগে বাগযুদ্ধে জড়িয়েছেন এই দুই ‘বোস’। এবার ফের একই ঘটনা। কবিগুরুর প্রয়াণ দিবস পালনের অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বলেন, “গুরুদেবের কথায় চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, আমি এটা অনুভব করি। এখন চিত্ত ভয়যুক্ত। আর মাথা হেঁট হয়ে আছে। সন্ত্রাস, হিংসা, দুর্নীতি ভরে আছে। এখনও দেরি হয়নি। তবে অনেক দেরি হওয়ার আগে মানুষ চায়, দুর্নীতি শেষ করার জন্য সংঘবদ্ধ প্রচেষ্টা। দুর্নীতি এবং হিংসাকে শেষ করতে মানুষকে একসঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত গুরুদেবের বাংলার যে পরিস্থিতি তা ঠিক করতে হবে”।
রাজ্যপালের মন্তব্যের পাল্টা জবাবে ব্রাত্য বসুর বয়ান, “দেখবেন বেশি মাথা হেঁট করবেন না, তা হলে রোদচশমা খুলে পড়ে যাবে!” এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনি বলেন, “রাজ্যপালকে ভালো করে বাংলা শেখা উচিৎ। রবীন্দ্রনাথের কবিতার লাইন ব্যবহার করার আগে তা বোঝা উচিৎ। আমি ওঁর সঙ্গে একমত নই। ভারতে এমন অনেক জায়গা আছে সেখানে গিয়ে এই কথাগুলো বলুন। চিত্ত যেথা ভয় শূন্য কথাটা মণিপুরে গিয়ে বলুন। এই রাজ্যে এমন পরিস্থিতি হয়নি যে তিনি এরকম কথা বলতে পারেন”।



বোসে বোসে বাগযুদ্ধ! রবীন্দ্র প্রয়াণ দিবসে রাজ্যপালকে ‘চরম’ কটাক্ষ ব্রাত্যর








