Recruitment Scam: কেউ ৬ লাখ, কেউ ৫ লাখ, জেলে যাওয়া চার শিক্ষক কীভাবে চাকরি কেনেন? উত্তর CBI চার্জশিটে

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো: সোমবার আলিপুরের নগর দায়রা আদালত টাকা দিয়ে চাকরি কেনার অভিযোগে মুর্শিদাবাদের চার প্রাথমিক শিক্ষককে গ্রেফতারির নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশ অনুসারে তাঁদের গ্রেফতারও করা হয়। আপাতত প্রথমিকের এই চার শিক্ষকের ঠিকানা হয়েছে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগার। এবার সিবিআই চার্জশিট থেকে জানা গেল, কীভাবে কত টাকা দিয়ে কাদের থেকে তাঁরা চাকরি কেনেন?

আরও পড়ুন: বেহালার পর এবার হরিদেবপুর, ট্যাক্সির ধাক্কায় জখম খুদে ছাত্র, ভর্তি SSKM-এ

প্রথমে সিবিআইয়ের চার্জশিটে এই চার শিক্ষককে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ‘সাক্ষী’ বলে উল্লেখ করেছিল সিবিআই। সোমবার আলিপুর বিশেষ আদালতের বিচারপতি সিবিআই আইনজীবীকে সেই প্রসঙ্গে জিজ্ঞেসও করেন। তখন সিবিআইয়ের আইনজীবী জানান, কীভাবে এবং কাদের তাঁরা টাকা দিয়েছিলেন, দুর্নীতির জাল কতদূর এবং কীভাবে বিস্তার লাভ করছিল, সেই সমস্ত তথ্য জানার জন্যই এই শিক্ষকদের ‘অভিযুক্ত’ নয়, বরং মামলার ‘সাক্ষী’ হিসাবে রাখা হয়েছিল। যদিও তারপরেই বিচারপতি এঁদের জেলের নির্দেশ দেন।

কেউ ৬ লাখ, কেউ ৫ লাখ, জেলে যাওয়া চার শিক্ষক কীভাবে চাকরি কেনেন? উত্তর CBI চার্জশিটে

জেলে যাওয়া এই চার শিক্ষকের নাম জাহিরুদ্দিন শেখ, সায়গর হোসেন, সীমার হোসেন এবং সৌগত মণ্ডল। সিবিআই আগেই তাঁদের চার্জশিটে জানিয়েছিল, প্রাথমিকের চাকরিপ্রার্থীদের থেকে ছ’বছরে কয়েক কোটি টাকা তুলেছিলেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ব্যবসায়ী তাপস মণ্ডল এবং তৃণমূলের বহিষ্কৃত যুবনেতা কুন্তল ঘোষ।

কেউ ৬ লাখ, কেউ ৫ লাখ, জেলে যাওয়া চার শিক্ষক কীভাবে চাকরি কেনেন? উত্তর CBI চার্জশিটে
কেউ ৬ লাখ, কেউ ৫ লাখ, জেলে যাওয়া চার শিক্ষক কীভাবে চাকরি কেনেন? উত্তর CBI চার্জশিটে

এবার সিবিআইয়ের চার্জশিটের তথ্য অনুযায়ী, সায়গর হোসেন তাপস মণ্ডলকে দিয়েছিলেন ৬ লক্ষ টাকা। জাহিরুদ্দিন শেখ ও সৌগত মণ্ডল দেন সাড়ে ৫ লক্ষ টাকা। সীমার হোসেন দিয়েছিলেন ৫ লক্ষ টাকা। এছাড়াও আসিক আহমেদ নামে এক প্রার্থী ১ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন তাপস মণ্ডলকে। তবে, তিনি এখনও গ্রেফতার হননি।

সিবিআই সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, আট জন এজেন্ট মারফত ১৩৬ জন চাকরিপ্রার্থীর থেকে মোট ৩ কোটি ৮৯ লক্ষ ৮৫ হাজার টাকা তুলেছিলেন তাপস। নিজে পাঁচ চাকরিপ্রার্থীর থেকে নিয়েছিলেন ২৩ লক্ষ টাকা। সব মিলিয়ে, ৪ কোটি ১২ লক্ষ ৮৫ হাজার টাকা তুললেও কুন্তল ঘোষকে ৫.২৩ কোটি টাকা দিয়েছিলেন এই প্রার্থীদের চাকরি পাকা করার জন্য। তাপস ছাড়া বিগত ৬ বছরে চাকরি বিক্রি করে ৩ কোটি ১৩ লক্ষ টাকা তুলেছিলেন কুন্তল ঘোষ।

সব মিলিয়ে, এই মুহূর্তে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে সরগরম বঙ্গ রাজনীতি। এদিকে আবার, প্রথমবারের জন্য নিয়োগ মামলায় শর্তসাপেক্ষে জামিন পেলেন মানিক ভট্টাচার্যের স্ত্রী শতরূপা ভট্টাচার্য।

কেউ ৬ লাখ, কেউ ৫ লাখ, জেলে যাওয়া চার শিক্ষক কীভাবে চাকরি কেনেন? উত্তর CBI চার্জশিটে

কেউ ৬ লাখ, কেউ ৫ লাখ, জেলে যাওয়া চার শিক্ষক কীভাবে চাকরি কেনেন? উত্তর CBI চার্জশিটে

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত