নজরবন্দি ব্যুরোঃ চলতি বছরের গোড়া থেকেই উত্তপ্ত ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার সীমান্ত। যে কোনও মুহূর্তে রাশিয়া তাদের দেশে হামলা করতে পারে বলে অভিযোগ করে আসছে ইউক্রেন। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নেবেন বলে আগেই প্রস্তাব দিয়েছিলেন। ইউক্রেনের স্বাধীনতা আর সার্বভৌমত্ব বজায় রাখার বিষয়টিই আজ প্রাধান্য পেল রুশ প্রেসিডন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে তাঁর শীর্ষ বৈঠকে।
আরও পড়ুনঃ নাগাল্যান্ড ইস্যু নিয়ে আলোচনা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে তৃণমূল


আর সেই বৈঠকেই রাশিয়াকে হুমিক দিলেন বাইডেন। মঙ্গলবার হোয়াইট হাউস থেকে পুতিনের সঙ্গে ভারচুয়াল বৈঠকে বসেন বাইডেন। প্রায় ঘণ্টা দুয়েকের কথোপকথনে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল ইউক্রেন। কূটনৈতিক সৌজন্যের আড়ালে আলপচারিতায় দুই দেশের মধ্যে টানাপোড়েন স্পষ্ট হয়ে ওঠে বলে সূত্রের খবর।

রুশ প্রেসিডেন্টকে বাইডেন স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ইউক্রেনে মস্কো আগ্রাসন না থামালে রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত আমেরিকা। অবশ্য মার্কিন হুঁশিয়ারিতে বিশেষ বিচলিত হননি পুতিন। বৈঠকের পর মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান জানান, পরিস্থিতি বুঝে কড়া পদক্ষেপ করবে আমেরিকা।



রাশিয়ার ক্রাইমিয়া দখল নিয়ে তিনি বলেন, “২০১৪ সালে আমরা যা করিনি এবার তা করতে আমরা প্রস্তুত। আমেরিকার উদ্বেগের বিষয়ে পুতিনকে স্পষ্ট জানিয়েছেন প্রসিডেন্ট বাইডেন।” বলে রাখা ভালো, ইউক্রেন সরকারের আশঙ্কা, আগামী বছরের গোড়াতেই তাদের উপরে হামলা চালিয়ে গোটা দেশ দখল করে নেবে মস্কো।
এবার সংঘাতের পথে দুই মহাশক্তি, পুতিনকে হুমিক বাইডেনের!
আর রুশ ফৌজ ইউক্রেনে প্রবেশ করলে ওয়াশিংটন সামরিক পদক্ষেপ করবে, নাকি শুধু আর্থিক নিষেধাজ্ঞা জারি করেই থেমে থাকবে, তা স্পষ্ট হয়নি বাইডেনের কথাতেও।







