ব্যাঙ্কশাল আদালতে রেশন দুর্নীতির (Ration Distribution Scam) রিপোর্ট পেশ করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। আর সেই রিপোর্টে রয়েছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। ইডি জানিয়েছে, খাদ্যমন্ত্রী থাকাকালীন সমস্ত দুর্নীতির কথা জেনেও চুপ ছিলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick)। আর সে কথা তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন গত বছর ৩১ অক্টোবরের জেরায়! ইডির (Enforcement Directorate) এই রিপোর্টের ভিত্তিতে আগামী দিনে আরও বিপাকে পড়তে চলেছেন বালু নাকি নিজেকে বাঁচাতেই জেরায় দুর্নীতির কথা স্বীকার করেছেন তিনি, রাজনৈতিক মহলে চলছে তরজা।
আরও পড়ুন: বহরমপুরে অধীরকে হারাতে প্ল্যান তৈরি তৃণমূলের, মমতার বাজি কে?


আদালত সূত্রে খবর, ইডি (Enforcement Directorate) তাঁদের পেশ করা রিপোর্টে জানিয়েছে, “জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick) রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী থাকাকালীনই চালকল-গমকল মালিক থেকে শুরু করে ডিলার, ডিস্ট্রিবিউটরদের একাংশের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। কিন্তু দুর্নীতির বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি তিনি। এফআইআর দায়ের থেকে সিআইডি (CID) তদন্ত সবই জানতেন জ্যোতিপ্রিয়র। কিন্তু তিনি চুপ ছিলেন। গত ৩১ অক্টোবর জেরায় তিনি এই কথা স্বীকার করেছেন।”

সঙ্গে ইডি (Enforcement Directorate) আরও জানিয়েছে, দুর্নীতিকে ধাপাচাপা দেওয়ার জন্য সব রকম চেষ্টা করে গিয়েছেন জ্যোতিপ্রিয় (Jyotipriya Mallick)। এখন প্রশ্ন, দুর্নীতির কথা যে তিনি জানতেন তা জলের মতো পরিষ্কার, কিন্তু সে কথা তিনি ইডির জেরায় কেন স্বীকার করবেন! শাস্তি বাঁচাতেই কি আত্মপক্ষ সমর্থনে যুক্তি সাজাচ্ছেন তিনি?



দুর্নীতি জেনেও চুপ ছিলেন? জেরায় স্বীকার বালুর! আদালতে ইডির চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট
প্রসঙ্গত, রেশন দুর্নীতির (Ration Distribution Scam) জল অনেকদূর গড়িয়েছে। গত বছর প্রথম গ্রেফতার হন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। এরপর তাঁর লেখা চিঠির ভিত্তিতে নাম উঠে এসেছে আরও দুই দাপুটে তৃণমূল নেতার নাম। একজন, সন্দেশখালির শাহজাহান শেখ (Shahjahan Seikh)। যার বাড়িতে ইডি (Enforcement Directorate) দু’বার তল্লাশি অভিযান চালালেও এখনও তিনি অধরা। আর অপরজন, বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল নেতা শংকর আঢ্য (Shankar Adhya)। তিনি অবশ্য ইডির হাতে ধরা পড়েছেন। এই মুহূর্তে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে রয়েছেন শংকর।








