নজরবন্দি ব্যুরো : অসমের রাজনীতিতে মহীরূহের পতন, প্রয়াত তরুণ গগৈ। অসমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্ষীয়াণ কংগ্রেস নেতা তরুন গগৈ এর মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। গত কয়েকদিন আগেই তিনি করোনা আক্রান্ত হন। তারপরই তাঁকে গুয়াহাটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। এরপরই সোমবার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন, তিনি। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া রাজনৈতিক মহলে।
আরও পড়ুনঃ নির্বাচন আসছে, শীতের শুরুতে শীতঘুম ভেঙে ইডি-র নোটিশ মদন-ববি’দের
অসমের রাজনীতিতে মহীরূহের পতন। আগাগোড়াই কংগ্রেসের মতাদর্শেই বিশ্বাসী ছিলেন, তরুণ গগৈ। পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরেই তিনি রাজনীতি করেছেন। পাঁচ বারের সাংসদ এবং চারবারের বিধায়ক তিনি। গোটা ১৫ বছর তিনি অসমের মুখ্যমন্ত্রীর পদে ছিলেন। ইন্দিরা গান্ধী, রাজীব গান্ধী থেকে শুরু করে মনমোহন সিং পর্যন্ত, একাধিক কংগ্রেসি প্রধানমন্ত্রীর প্রিয়পাত্র ছিলেন গগৈ।


অসমের রাজনীতিতে মহীরূহের পতন, একেবারে অরাজনৈতিক একটি পরিবার থেকে উঠে এসেছেন তরুণ। নিজের চরম রাজনৈতিক অধ্যাবসায় তাঁর জনপ্রিয়তা শীর্ষে ওঠে কালক্রমে। প্রথনবার ৭১-এ তিনি সাংসদ হয়ে নির্বাচিত হন। অসম প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি হয়েছিলেন দু’বার। জাতীয় স্তরে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদকও ছিলেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন বাইডেন! অনভিপ্রেত বার্তায় প্রস্তুতি চীনের।


অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবল প্রথমবার নির্বাচিত হন ২০০১ সালে। অসম গণ পরিষদের প্রফুল্ল কুমার মোহন্তকে সরিয়ে তিনি বসেন মসনদে। তারপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ২০১৬ সাল পর্যন্ত টানা মুখ্যমন্ত্রী পদে ছিলেন। গগৈয়ের সবচেয়ে বড় সাফল্যই, অসমকে রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে মুক্ত করা। তাঁর ১৫ বছরের রাজত্বে অসমে রাজনৈতিক হিংসা অনেকটাই কমেছে। উন্নয়নের কাজও নেহাত কম হয়নি। গগৈয়ের দীর্ঘ রাজনৈতিক কেরিয়ারে খুব বেশি দুর্নীতির অভিযোগও নেই। প্রবীণ এই নেতার মৃত্যুতে অসম তথা গোটা দেশের কংগ্রেসের রাজনীতিতে বড়সড় শূন্যতার সৃষ্টি হল। প্রণব মুখোপাধ্যায়ের পর আরও এক খাঁটি কংগ্রেসি নেতাকে হারাল দেশ।
আরও পড়ুনঃ ৩০ কোটি ভারতীয়কে টিকা আগামী সেপ্টেম্বরে, সুখবর দিলেন হর্ষ বর্ধন।







