নজরবন্দি ব্যুরো: তৃণমূল নেতাকে খুনের ঘটনায় নতুন মোড়, হাওড়ার শালিমারে প্রকাশ্যে যুব তৃণমূল নেতাকে খুনের ঘটনায়, পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থেকে সন্দেহভাজন ২ ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। আজও থমথমে গোটা এলাকা। বি গার্ডেন গেট এলাকায় বন্ধ রয়েছে দোকানপাট। কয়েকটি রুটের বাস পরিষেবা বন্ধ রয়েছে। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে যুব তৃণমূল নেতার খুনের কারণ ঘিরে এখনও ধোঁয়াশা।
আরও পড়ুনঃ পুলিশের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘাত বিজেপির, মিছিলের নেতৃত্বে টিটাগড়ে শুভেন্দু।
প্রোমোটিংয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন যুব তৃণমূল নেতা ধর্মেন্দ্র সিংহ। কয়েকবছর আগে একটি খুনের মামলায় গ্রেফতারও হন তিনি। সেই পুরনো বিবাদের জেরেই খুন কিনা, খতিয়ে দেখছে পুলিশ। গতকাল বিকেলে শালিমার স্টেশনের সামনে দিয়ে বাইকে চড়ে যাওয়ার সময়, গুলিবিদ্ধ হন যুব তৃণমূল নেতা।হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। গুলিতে জখম যুব তৃণমূল নেতার সঙ্গীও। খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে তৃণমূল-বিজেপি তরজা। খুনের সঙ্গে রাজনীতির যোগ রয়েছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
আরও পড়ুনঃ পরিবারতন্ত্রের সমীকরণেই কী সৌমেন্দুকে প্রসাশকের পদ থেকে অপসারণ, নাকি অন্য কোন কারণ!
মঙ্গলবার বিকেলে শালিমার স্টেশনের কাছে TMC নেতাকে প্রকাশ্যে গুলি চালায় কয়েকজন দুষ্কৃতী। শালিমারে বি গার্ডেন থানা এলাকায় তৃণমূল নেতা ধর্মেন্দ্র সিংহকে লক্ষ্য করে চলে পরপর গুলি। মন্ত্রী অরূপ রায় ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ছিলেন তিনি। গুরুতর জখম অবস্থায় ধর্মেন্দ্র সিংকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। গুলির শব্দে তীব্র আতঙ্ক ছড়ায় এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ।
তৃণমূল নেতাকে খুনের ঘটনায় নতুন মোড়, এদিকে ২১ এর নির্বাচনকে পাখির চোখ করে রাজ্য-রাজনীতিতে উত্তপ্ত বাংলা। বিজেপির সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে নেমেছে রাজ্যের শাসকদল। দফায় দফায় জনসভা করছে দু’দলই। একদিকে গুটি সাজাতে ব্যস্ত বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। অন্যদিকে ভোটকৌশলী পিকে-র নেতৃত্বে একের পর এক কর্মসূচি নিয়ে আসছে রাজ্যের শাসকদল। দুয়ারে সরকারের পর বোলপুরে ‘পাড়ায় পাড়ায় সমাধান’-কর্মসূচির ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু আচমকা এমন এক ঘটনা সত্যিই রাজনীতির পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে। ঘটনার সঙ্গে বিজেপির সরাসরি যোগ রয়েছে বলে দাবি করছে তৃণমূল নেতৃত্ব। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। গোটা ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ঘটনার সামাল দিতে মাঠে নেমেছে পুলিশের র্যাফ।








