পরিবারতন্ত্রের সমীকরণেই কী সৌমেন্দুকে প্রসাশকের পদ থেকে অপসারণ, নাকি অন্য কোন কারণ!

বিজ্ঞাপন
নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো: পরিবারতন্ত্রের সমীকরণেই কী সৌমেন্দুকে প্রসাশকের পদ থেকে অপসারণ! ‘দাদার অনুগামী’ পোস্টার ফেলে জল্পনাকে জিইয়ে রেখে অমিত শাহের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন নন্দীগ্রামের ডাকাবুকো নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তারপরই তৃণমূলের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন তিনি। কিন্তু পরিবারের কেউই এখনও তাঁর সঙ্গে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পক্ষে কথা বলেননি। তবে গতকাল আচমকাই শুভেন্দুর ভাই সৌমেন্দুকে প্রশাসকের পদ থেকে অপসারণ করা হয়। কিন্তু হঠাৎ এই অপসারণ কেন? মুখ খুললেন সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী

আরও পড়ুনঃ দিদির বিরুদ্ধে দাদাই অস্ত্র, বঙ্গে বিজেপি-র মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী সৌরভ?

এদিন সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী জানান, “যাকে প্রশাসক পদে বসানো হয়েছে তিনি এলাকার ভোটারই নন। প্রায় ৫০ বছর ধরে কাঁথি পুরসভার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক। পুরসভায় আমার একটি অফিস ছিল। সেখানে আর যাব না। এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করছি।” প্রতিবাদ জানালেও এদিনও নিজের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করেছেন দিব্যেন্দু। বলেছেন, “সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছি। কিন্তু আমি তৃণমূলের সাংসদ। বাবা জেলা সভাপতি। দিদির প্রতি আমাদের সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে।”

পরিবারতন্ত্রের সমীকরণেই কী সৌমেন্দুকে প্রসাশকের পদ থেকে অপসারণ, এদিন দিব্যেন্দু এনিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কোনও মন্তব্য করেননি। শুভেন্দু  বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর তৃণমূলের সঙ্গে অধিকারী পরিবারের দূরত্ব বেড়েছে বলেই বেশ কয়েকদিন ধরে মনে করছিল রাজনৈতিক মহলে। কারণ, তৃণমূলের কোনও কর্মসূচিতেই দেখা যায়নি ওই পরিবারের কোনও সদস্যকেই। এসবের মাঝেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ডায়মন্ড হারবার থেকে শুভেন্দুকে নিশানা করে বলেছিলেন, “যে বাড়িতেই পদ্ম ফোটাতে পারল না, তিনি বাংলায় পদ্ম ফোটাবেন কী করে।”

আরও পড়ুনঃ ঘৃণার রাজনীতি উত্তর প্রদেশ জুড়ে! যোগী সরকারকে শতাধিক চিঠি আইএএস-এর।

অর্থাৎ শুভেন্দু অধিকারীর পরিবারের সকলেই তো তৃণমূলে। তবে অভিষেকের প্রশ্নের পালটা দেন শুভেন্দু। খড়দহ থেকে মঙ্গলবার বিকেলে পালটা দিয়ে শুভেন্দু বলেছেন, “সঠিক সময়ে বাড়িতেও পদ্ম ফুটবে। হরিশ চ্যাটার্জী স্ট্রিটেও পদ্ম ফোটাবো।”নাম না করে বললেও নিশানা কোন দিকে তা বুঝতে সময় নেয়নি তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। এরপরই এদিন রাতেই কাঁথি পুরসভার প্রশাসক পদ থেকে সরানো হয় শুভেন্দু অধিকারীর ভাই দিব্যেন্দুকে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পান প্রাক্তন কাউন্সিলর সিদ্ধার্থ মাইতি। যা নিয়ে রীতিমত দুঃখপ্রকাশ করেন দিব্যেন্দু।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

বিজ্ঞাপন

আরও খবর