বাংলাদেশের অশান্তির জেড়ে স্তব্ধ সীমান্ত বানিজ্য। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের হিলি সীমান্তে গতকাল থেকেই বন্ধ আমদানি-রফতানির। মঙ্গলবার সকাল থেকেও থম্থমে দক্ষিণ দিনাজপুরের হিলি সীমান্ত। বন্ধ দোকান পাট সীমান্ত দিয়ে যাতায়াত। জারি সতর্কতা। মোতায়েন করা কমব্যাট পুলিশ বাহিনী। ফলে রীতিমতো সমস্যায় পড়েছেন ভারত তথা বাংলায় চিকিৎসা করাতে আশা বহু বাংলাদেশিরা।
গতকাল বাংলাদেশের অশান্তি এবং শেখ হাসিনার দেশ ত্যাগের পর থেকেই সতর্কতা অবলম্বন করেছে ভারত। কড়া নজর বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকায়। বন্ধ করা হয়েছে দু দেশের আমদানি-রফতানি। ফলে দক্ষিণ দিনাজপুরের হিলি সীমান্তে আটকে মাল বোঝায় লরি। প্রায় ৪০ টি মাল বোঝাই লরি বাংলাদেশ যাওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিল। পরে বিএসএফের তরফে বাধা দেওয়ায় সেগুলি ফিরে যায়। তবে মঙ্গলবার বেলার দিকে সীমান্তে থাকা ভারতীয় সেনাবাহিনীর সঙ্গে বাংলা দেশের সেনাবাহিনীর একটি বৈঠক হয়। তার পরেই জরুরি অবস্থায় থাকা মানুষ দের জন্য যাতায়াতের ব্যবস্থা করা হয়। তবে সূত্রের খবর আগামী কাল থেকেই শুরু হয়ে যেতে পারে দু দেশের আমদানি-রফতানি।
অন্যদিকে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা করে স্থল ও জলপথেও বাড়ানো হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা। ইতিমধ্যেই পেট্রাপোল স্থলবন্দরেও বাড়ানো হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা। স্থলপথের পাশাপাশি জলপথেও চলছে নজরদারি। নাইট ভিশন ক্যামেরায় নজরদারি।যদিও আজ সকাল ৬ টা থেকেই বাংলাদেশে জারি করা কারফিউ তুলে নেওয়া হয়েছে। খুলে যাচ্ছে স্কুল, কলেজ থেকে শুরু করে অফিস কাচারি। এই অবস্থায় পরিস্থিতির ওপর নজর রেখে শুরু হয়ে যেতে পারে বানিজ্য।



