নজরবন্দি ব্যুরোঃ মঙ্গলবার মধ্যরাতে বীরভূম তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে হেফাজতে নিয়েছে ইডি। দিল্লিতে তাঁকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডি সূত্রে খবর, গরু পাচারের সঙ্গে অনুব্রতর একাধিক যোগ মিলেছে। প্রোটেকশন মানির পাশাপাশি কমিশনও নিতেন তিনি। মাত্র কয়েক বছরে রকেট গতিতে তাঁর সম্পত্তি বৃদ্ধি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।


ইডি সূত্রে খবর, ২০১৪ সালে নভেম্বর মাসে ৬ দিনে ৬ কোটি টাকার সম্পত্তি নগদে কিনেছিলেন কেষ্ট। বোলপুরের কালিকাপুর মৌজায় সম্পত্তি কেনেন তিনি। এই বিপুল পরিমাণ অর্থ এল কোথা থেকে? আবার ২০১৫ থেকে ২০১৮ অবধি কীভাবে সম্পত্তির বৃদ্ধি হয়েছিল? সেবিষয়েও খোঁজ নিতে চায় তদন্তকারী সংস্থা। সূত্রের খবর, গরুপাচারের অন্যান্য অভিযুক্তদের পাশাপাশি অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠদের তলব করে যে সমস্ত তথ্য পাওয়া গেছে, সমস্ত তথ্যকে হাতিয়ার করেই চলছে জিজ্ঞাসাবাদ।

ইডি সূত্রে খবর, প্রাক্তন এক ব্যাঙ্ককর্মীকে কেন ৬ কোটি টাকা দিয়েছিলেন, তা জানতে চায় ইডি। পাশাপাশি ১৮ কোটি টাকার ফিক্সড ডিপোজিটের উৎসও জানাতে পারেননি কেষ্ট ইডি সূত্রের অভিযোগ, গরু পাচারের একটা বড় অংশের টাকা যে অনুব্রত মণ্ডলের ঝুলিতে গিয়েছিল, তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু সেটাই সব নয়। বাকি টাকা রাজ্যের রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের কার কার কাছে, কোথায়, কী ভাবে পৌঁছেছে, সেটাই অনুব্রতের কাছে মূল প্রশ্ন। এই টাকা আর কোনও প্রভাবশালী নেতাদের কাছে পৌঁছে যেত সবটা জানার চেষ্টা করছে ইডির অফিসাররা।
৬ দিনে ৬ কোটি টাকার সম্পত্তি নগদে কিনেছিলেন কেষ্ট, বিরাট পদক্ষেপ ইডির

বৃহস্পতিবার আদালতের নির্দেশে বৃহস্পতিবার আইনজীবীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে অনুব্রত মণ্ডলের। সকাল ১০টায় কেষ্টর আইনজীবী পৌঁছবেন ইডির হেড কোয়ার্টার প্রবর্তন ভবনে। এরপর সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সেখানে উপস্থিত থাকতে পারবেন আইনজীবী। শুক্রবার কেষ্টকে ফের আদালতে পেশ করা হবে।


সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



