নজরবন্দি ব্যুরো: করমণ্ডলের স্মৃতি উস্কে দিল অন্ধ্রপ্রদেশের রেল দুর্ঘটনা। রবিবার বিকেলে দুই প্যাসেঞ্জার ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ও আহতের সংখ্যা একাধিক। ইতিমধ্যেই বেড়েছে মৃতের সংখ্যা। এই পরিস্থিতিতে আহত ও নিহতদের পরিবারের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করল রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।
আরও পড়ুন: অন্ধ্রপ্রদেশের রেল দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩, শোকপ্রকাশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের


রবিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যে ৭ টা ১০ মিনিটে অন্ধ্রপ্রদেশের ভিজিয়ানাগ্রাম জেলায় ০৮৫৩২ বিশাখাপত্তনম-পালাসা প্যাসেঞ্জার ট্রেনের সঙ্গে ধাক্কা লাগে ০৮৫০৪ বিশাখাপত্তনম-রায়গড় প্যাসেঞ্জারের। রবিবার রাত পর্যন্ত সরকারি ভাবে জানানো হয়েছিল মৃতের সংখ্যা ৬। একরাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৩। দুর্ঘটনায় আহতের সংখ্যা কমপক্ষে ৪০। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব ঘোষণা করেন, নিহত যাত্রীদের নিকট আত্মীয়দের ১০ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। গুরুতর আহত যাত্রীরা পাবেন আড়াই লক্ষ এবং অল্প আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ বরাদ্দ করা হয়েছে।

সূত্রে খবর, প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, রেল কর্মচারীর গাফিলতির কারণেই এই ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। রেলের ওয়াল্টেয়ার বিভাগের ম্যানেজার সৌরভ প্রসাদ বলেন, মাঝলাইনে আমাদের দুটি চলমান প্যাসেঞ্জার ট্রেন ছিল । পিছনের ট্রেনটি এসে সিগন্যাল অতিক্রম করার ফলে সামনের ট্রেনের তিনটি ও পিছনের ট্রেনের দুটি বগি লাইনচ্যুত হয় । এই বগিগুলিতে আটকে পড়েছেন অনেক মানুষ । এই ঘটনায় ফের একবার রেলের নিরাপত্তা নিয়ে সরব হলেন প্রাক্তন রেলমন্ত্রী তথা পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।



অন্ধ্রপ্রদেশের ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনায় শোক প্রকাশ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লেখেন, ‘ট্রেনে সংঘর্ষ । আরও একটি বিপর্যয়। এবার অন্ধ্রপ্রদেশের বিজয়নগরমে । সংঘর্ষে কয়েকটি বগিও লাইনচ্যুত হয়েছে । অসহায় যাত্রীরা কোচে আটকে রয়েছেন । সবথেকে দুর্ভাগ্যজনক বিষয় হল এই ধরনের ঘটনা বারবার ঘটছে। হতাহতদের স্বজনদের প্রতি সমবেদনা রইল । দ্রুত উদ্ধার কাজ ও অবিলম্বে তদন্ত হোক । রেলের ঘুম কবে ভাঙবে?’ উল্লেখ্য, গত জুন মাসে ওড়িশায় করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার স্মৃতি ফিরিয়ে আনল অন্ধ্রপ্রদেশের এই ঘটনা।
অন্ধ্রের রেল দুর্ঘটনায় বাড়ছে মৃতের সংখ্যা, আর্থিক ক্ষতিপূরণ ঘোষণা রেলমন্ত্রীর








