নিজের গড়ে বারবার বিক্ষোভের সম্মুখীন বহরমপুরের পাঁচ বারের সাংসদ তথা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। রবিবার বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসুকে নিয়ে একটি সাংবাদিক বৈঠক করলেন তিনি। দাবি করলেন, “বহরমপুরে হারলে রাজনীতি ছেড়ে দেব। তাসের ঘরের মতো ভাঙবে তৃণমূল।”
আরও পড়ুন: আমি দু’নম্বরি করি না, স্বাস্থ্যসাথী করি, বালুরঘাটে ফের কেন্দ্রকে নিশানা মমতার


একাধিকবার বিক্ষোভের মুখে পড়ে মেজাজ হারিয়েছেন অধীর। কখনও মেরেছেন সপাটে চড়, আবার কখনও ধাক্কা! তাঁর বিরুদ্ধে এবার তৃণমূলের বাজি ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠান। অধীর কি কিছুটা ভীত? জবাবে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেন, “বহরমপুরে আমি হারলে রাজনীতি থেকে ছুট্টি নিয়ে নেব। এত বড় কথা বলে দিলাম আজকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে বলতে পারবেন যে, বহরমপুর জিতলে তাঁর জয় বা হারলে তাঁর হার হবে?’’

পাশাপাশি, ফের একবার তৃণমূল-বিজেপি ‘সেটিং’ নিয়ে মুখ খোলেন অধীর। তাঁর কথায়, “বোঝাপড়া রয়েছে বলেই ডায়মন্ড হারবারে বিজেপি ওই রকম প্রার্থী দিয়েছে! যাতে খোকাবাবুর অসুবিধা না হয়। এক জন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন জেলে আর এক জন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীওয়ালও জেলে। কিন্তু খোকাবাবুকে যাতে জেলে যেতে না হয়, তাই দিদি বোঝাপড়া করে নিয়েছেন।”



তাসের ঘরের মতো ভাঙবে তৃণমূল, বিমানকে পাশে বসিয়ে দাবি অধীরের
একুশের বিধানসভা থেকে একসঙ্গে হাতে হাত ধরে চলছে বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস। সঙ্গে আইএসএফ থাকলেও তাঁদের সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছে শতাব্দী প্রাচীন দু’দলেরই। তবে, এখনও চিড় ধরেনি বাম ও কংগ্রেসের। শুরুতে লোকসভায় ‘ইন্ডিয়া’ জোটে কংগ্রেস, বামফ্রন্ট ও তৃণমূলের একসঙ্গে থাকার কথা থাকলেও তা এ রাজ্যে বাস্তবায়িত হয়নি।

এই প্রসঙ্গে অধীর বলেন, “আমার সঙ্গে মমতার বিরোধ সর্বজনবিদিত। উনি কি কখনও বলেছিলেন, অধীর থাকলে ‘ইন্ডিয়া’য় থাকব না?”







