নজরবন্দি ব্যুরো: তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের কনভয়ে হামলায় ঘটনায় আটক করা হয়েছিল কুড়মি নেতা রাজেশ মাহাতোকে। এবার সেই কুড়মি নেতা তথা স্কুল শিক্ষককে বদলির নির্দেশ দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সরকার। আর এই বদলির নির্দেশ জারি হওয়ার পর থেকেই নতুন করে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল ছড়িয়েছে।
আরও পড়ুন: Abhishek-বীরবাহাকে অ্যাটাক কেন? চোখ রাঙানি সহ্য করি না! বললেন মমতা


জানা যাচ্ছে, কনভয়ে হামলায় ঘটনায় ধৃত কুড়মি নেতা রাজেশ মাহাতো খড়গপুরের বানাপুরের একটি হাই স্কুলে ইংরেজি পড়াতেন। এবার তাকে সেই স্কুল থেকে বদলি করানো হল কোচবিহারের চামটা আদর্শ হাই স্কুলে। মমতা সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী আগামী পাঁচদিনের মধ্যে ধৃত কুড়মি নেতা রাজেশ মাহাতোকে পুরাতন স্কুল ছেড়ে দিতে হবে। আর তার পরের তিনদিনের মধ্যে নতুন স্কুলে যোগ দিতে হবে ওই কুড়মি নেতাকে।

প্রসঙ্গত, গতকাল তৃণমূলের নবজোয়ার যাত্রায় শালবনিতে ছিলেন তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। সেই সময় কর্মসূচি থেকে ফেরার পথে অভিষেক বন্দোপাধ্যায় ও বীরবাহা হাঁসদার কনভয়ে হামলার অভিযোগ উঠল। রীতিমত ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। এমনকি মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার গাড়ির কাঁচ ভাঙে দুষ্কৃতীরা।



একাধিক গাড়িতে ইটবৃষ্টি, ভাঙচুরের ঘটনায় রীতিমত উত্তপ্ত হয়ে উঠে এলাকা। শুধু তাই নয়, হামলার পাশাপাশি তৃণমূল কর্মীদের মারধরেরও অভিযোগ ওঠে। এরপরেই এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে অভিষেক বন্দোপাধ্যায় হুঁশিয়ারি দেন। এই ঘটনার পিছনে বিজেপির ইন্ধন আছে বলেই দাবি করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এই ঘটনায় কুড়মি আন্দোলনকারীদের একাংশকে দায়ী করেছেন বীরবাহা হাঁসদা। যদিও এই ঘটনার সঙ্গে কুড়মিদের কোনও যোগাযোগ নেই বলেই দাবি করেছেন আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ।
অন্যদিকে, কনভয়ে হামলার ঘটনায় এলাকায় চিরুনি তল্লাশি চালায় পুলিশ। হামলার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট ৭ জনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার সকালেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়ে হামলার ঘটনায় শালবনী থেকে চারজনকে আটক করে পুলিশ। এরপর বেলা বাড়তেই পশ্চিম মেদিনীপুরের খেমাশুলি থেকেও আরও ৩ জন কুড়মি নেতাকে আটক করে পুলিশ। যদিওবার পুলিশের দাবি, হামলার অভিযোগে আটক করা হয়নি এই তিনজনকে!
Abhishek-র কনভয়ে হামলা কুমড়িদের, ধৃত শিক্ষক নেতাকে খড়গপুর থেকে কোচবিহারে বদলির নির্দেশ!

যেহেতু গতকালের ঘটনায় কুড়মি নেতাদের দোষারোপ করায় শনিবার নতুন করে প্রতিবাদে নেমেছিল কুড়মি আন্দোলনকারীরা। সেই বিক্ষোভ রুখতেই এই নেতাদের আটক করে পুলিশ। যদিওবা শুক্রবারের ঘটনার পর শনিবার এলাকায় পুলিশের অতি সক্রিয়তা লক্ষ্য করা গিয়েছে। মোতায়েন রয়েছে বাড়তি পুলিশ আধিকারিক।







