নজরবন্দি ব্যুরোঃ বকেয়া মহার্ঘভাতা এবং শূন্যপদে নিয়োগের দাবিতে শুক্রবার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের একাধিক সংগঠন। যদিও ধর্মঘটের বিরুদ্ধে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে নবান্ন। ডিএ ইস্যুতে সরকারি কর্মচারীদের সংগঠনগুলিকে সমর্থনের জন্য এগিয়ে এসেছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। বনধের বিপক্ষে খোঁচা দিলেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, বনধের নামে বিশৃঙ্খলা চলছে। মানুষ কর্মনাশা বনধ চায় না।


অভিষেকের বক্তব্য, অধিকার আদায়ের জন্য আন্দোলন হতেই পারে। ডিএ আন্দোলনকারী ধর্মঘট ডেকেছেন। মানুষ ধর্মঘট সমর্থন করে না। কর্মনাশা বনধ চায় না। শাসক দলের তরফে শুধুমাত্র অভিষেক নয়, শাসক নেতা মন্ত্রীরা দাবি করছেন, এই বনধ সফল হয়নি। একাধিক দফতরে সরকারি কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু সকাল থেকে ছবিটা একেবারেই আলাদা। বিভিন্ন সরকারি দফতরে ধর্মঘটের সমর্থনে শামিল হন সরকারি কর্মচারিরা।

মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের কথায়,যদি টিভিতে দেখানো বন্ধ করে দেওয়া হয়, তাহলে আরও যাঁরা অনশন করছেন, তাঁরাও ক্যাম্প তুলে দিতেন। বিরোধী দলের লোকেরা রোজ যাচ্ছে, আপনারা সেটাকে টিভিতে দেখাচ্ছেন। কেউ না দেখুক, শ্বশুরবাড়ির লোকেরা দেখে বলছেন, দেখো জামাইকে দেখা যাচ্ছে। সেই জন্য ভিড় হচ্ছে।
মানুষ কর্মনাশা বনধ চায় না, বক্তব্য অভিষেকের

বাজেটের দিন ৩ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করেছে সরকার। কিন্তু ষষ্ঠ বেতন কমিশন অনুযায়ী এখনও বাকি ৩৬ শতাংশ। কেন্দ্রের সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে বিস্তর ফারাকের প্রতিবাদে শুক্রবার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত কর্মচারীদের ৪২ টি সংগঠনের মিলিত সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। প্রায় ১ মাসের ওপর ধরে আন্দোলনের পাশাপাশি অনশন জারি রেখেছেন তাঁরা। শুক্রবার ধর্মঘটের মাধ্যমে সরকারকে বিশেষ বার্তা এওয়ার চেষ্টা করলেন আন্দোলনকারীরা।









