রাতারাতি বড়লোক হলেন মৎস্যজীবী, জালে উঠল বিশাল আকার-এর এক ইলিশ

রাতারাতি বড়লোক হলেন মৎস্যজীবী, জালে উঠল বিশাল আকার-এর এক ইলিশ
রাতারাতি বড়লোক হলেন মৎস্যজীবী, জালে উঠল বিশাল আকার-এর এক ইলিশ

নজরবন্দি ব্যুরোঃ ইলিশে জীবন বদল! বাংলাদেশে এক মৎস্যজীবীর জালে ধরা পড়ল দুটি আড়াই কেজির ইলিশ (Hilsa Fish)। আর এই পাঁচ কিলোর ইলিশই জীবন বদলে দিয়েছে ওই মৎস্যজীবীর। বাংলাদেশে ইতিমধ্যেই ইলিশ ধরা শুরু হয়েছে। ৪ মে বুধবার লাদেশের ধলীগৌরনগর বাত্তির খাল ঘাটে এই দুটি ইলিশ ধরা পড়ে। এই ইলিশ বিক্রি করে বিরাট অঙ্কের মুনাফা করেছেন মৎস্যজীবী। অঙ্কটা শুনলে চোখ কপালে উঠবে।

আরও পড়ুনঃ ঘূর্ণিঝড়ের ভ্রুকুটি, গভীর নিম্নচাপে বদলাচ্ছে ঘূর্ণাবর্ত, দক্ষিণবঙ্গে আজ বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস

মৎস্যজীবী গিয়াস উদ্দিনের বক্তব্য, ‘৪ মে দুপুর ১২টা নাগাদ লালমোহনের বাত্তির খালে ১১ জন মৎস্যজীবী মাছ ধরতে যান। তাঁদের জালে প্রায় ২০টি ইলিশ ধরা পড়েছিল। এরই মধ্যে দুটি ইলিশের ওজন আড়াই কেজি করে মোট পাঁচ কেজি। এই ইলিশগুলি মোট ১০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে।’ এখানেই শেষ নয়, তিনি আরও বলেন, ‘এত বড় মাছ এর আগে ধরা পড়েনি।’

রাতারাতি বড়লোক হলেন মৎস্যজীবী, জালে উঠল বিশাল আকার-এর এক ইলিশ
রাতারাতি বড়লোক হলেন মৎস্যজীবী, জালে উঠল বিশাল আকার-এর এক ইলিশ

তিনি আরও বলেন, ‘ওই দুই আড়াই কেজি ওজনের ইলিশের এত দাম পাব ভাবিনি। আড়তে সাত হাজার ৯০০ টাকায় তা বিক্রি হয়েছে।’ এই খালে প্রতিদিন দুই থেকে তিনটি ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে বলে জানাচ্ছে মৎস্যজীবীরা। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের মৎস্যজীবীদের একাংশের কথায়, মূলত বর্ষাকালে জালে ইলিশ ওঠে।

এই সময়টিকেই মূলত ইলিশের মরশুম হিসেবে গন্য করা হয়। কিন্তু, এখনও বর্ষা শুরু হতে বাকি এক মাস। তার আগেই জালে ইলিশ ওঠায় আশাবাদী মৎস্যজীবীরা। বর্ষা শুরু হলে অন্যান্য বছরের তুলনায় বেশি ইলিশ আসতে শুরু করবে বলেই মনে করছেন তাঁরা।

উল্লেখ্য, ৩০ এপ্রিল ইলিশ ধরার উপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা উঠে গিয়েছে। পটুয়াখালীর মহিপুর, বরগুনার পাথরঘাটার মৎস্যজীবীদের একাংশের আক্ষেপ, এই বছর তাঁরা পর্যাপ্ত ইলিশ পাচ্ছেন না। কারণ হিসেবে তাঁরা জানাচ্ছেন, এই বছর নদী থেকে সাগরে স্বাদু জল কম প্রবেশ করেছে।

রাতারাতি বড়লোক হলেন মৎস্যজীবী, জালে উঠল বিশাল আকার-এর এক ইলিশ

রাতারাতি বড়লোক হলেন মৎস্যজীবী, জালে উঠল বিশাল আকার-এর এক ইলিশ
রাতারাতি বড়লোক হলেন মৎস্যজীবী, জালে উঠল বিশাল আকার-এর এক ইলিশ

মৎস্যজীবীদের কথায়, ‘পূর্ণিমার সময় বেশি জোয়ার থাকে। সেই সময় জালে বেশি ইলিশ পড়তে পারে বলে আশাবাদী তাঁরা।’ অন্যদিকে, এই বছর জোয়ারে জলের উচ্চতা যেই রকম হওয়া উচিত তা হচ্ছে না। তাই অন্যান্য বছরের তুলনায় এই বছর জালে কম ইলিশ উঠছে। যদিও বর্ষা এলে পরিস্থিতি বদলাবে, আশাবাদী তাঁরা।