নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাষ্ট্রসংঘের ভয়াবহ রিপোর্ট প্রকাশ্যে এল। পরিষ্কার ভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে, কার্যত ধ্বংসের পথে পৃথিবী। সব কিছুর মূলে রয়েছে বিশ্ব উষ্ণায়ন। যদিও এক শ্রেনীর ব্যাবসায়ী, সরকার এবং সাধারণ মানুষ এই ভয়াবহ আশঙ্কা কে উড়িয়ে দিচ্ছেন। তাঁদের ধারনা পৃথিবীর ক্ষয় নেই। ধ্বংসের পথে পৃথিবী এই কথার কোন বাস্তবতা নেই। যদিও রিপোর্ট তা বলছে না।
আরও পড়ুনঃ এখন থেকে কেউ আপনার মোবাইলের কল রেকর্ড করলেই জানিয়ে দেবে গুগল।
তবে রিপোর্ট যাই বলুক না কেন সাধারণ চোকে পৃথিবীকে দেখলেই পরিবর্তন চোখে পড়ে। যেমন চরম বিপদসীমা ছাড়িয়ে বইছে জল। ক্রমেই বাড়ছে ঝড়ের দাপট। ঋতু পরিবর্তন কখন এবং কিভাবে হচ্ছে তা বোঝা যাচ্ছে না। বর্ষা কাল ছাপিয়ে কখনও চলছে টানা বৃষ্টি আবার কখনও বৃষ্টিহীন বর্ষা কাল। চলতি বছরে বজ্রপাতের আধিক্য বেড়েছে বহু গুন। অপঘাতে প্রাণ হারিয়েছেন বহু মানুষ।
রাষ্ট্রসংঘ তাঁর রিপোর্টে জানিয়েছে, এই শতকের শেষে পৃথীর স্বাভাবিক তাপমাত্রা বেড়ে যাবে ২.৭ শতাংশ। যা পৃথিবীর জন্যে ভয়ঙ্কর। রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সচিব অ্যান্টনিও গুটেরস আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, “আজ থেকে ৬ বছর আগে প্যারিস জলবায়ু চুক্তির সময় ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের যে লক্ষ্যমাত্রা আমরা রেখেছিলাম তা আমরা রাখতে পারিনি।”
ধ্বংসের পথে পৃথিবী, পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে!

তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন তাপমাত্রার বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রির মধ্যে রাখতে না পারলে বড় বিপদ অপেক্ষা করছে। সমস্ত দেশের কাছে তাঁর আর্জি, প্রত্যেকে জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে নিজেদের মতো টার্গেট তৈরি করে নিক। আর সেই লক্ষ্যে এগিয়ে চলুক। তাঁর কথায়, ”সমস্ত দেশ এগিয়ে না এলে, বিশেষ করে যারা বড় অর্থনীতির দেশ, তারা এগিয়ে না এলে সব প্রচেষ্টাই জলে যাবে।”



