বামেদের কাছে সিট ‘বেচেছে’ নেতারা, বিধান ভবনে কোন্দল কংগ্রেসের অন্দরে

Congress: এক কংগ্রেস কর্মী বলেছেন, "সংসারে টাকা না দিয়ে পার্টি চালাই। আমাদের বুকের ক্ষোভ শীর্ষ নেতারা বুঝবে না। এরা সিপিএমের কাছে সিট বিক্রি করেছে। পাপিয়া চক্রবর্তীকে আমরা প্রার্থী হিসাবে মানি না।"

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

ঘাটালের কংগ্রেস প্রার্থীকে নিয়ে তুমুল বিক্ষোভ হাত শিবিরের অন্দরেই! সেই কেন্দ্রে পাপিয়া চক্রবর্তীকে টিকিট দিয়েছে কংগ্রেস। কিন্তু, দলীয় কর্মীদের একাংশের মতে, এটা অবিচার হয়েছে! কেন? তাঁদের বক্তব্য, এই পাপিয়া চক্রবর্তী আগে বিজেপি করতেন, সদ্য দলে যোগ দিয়েই কীভাবে তিনি টিকিট পেয়ে গেলেন? আর যারা সারাবছর পার্টির হয়ে কাজ করেন তাঁদের হবে?

আরও পড়ুন: নির্বাচন কমিশনের সামনে ধর্না, টেনে হিঁচড়ে তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে প্রিজনে তুলল দিল্লি পুলিশ

সোমবার প্রদেশ কংগ্রেস কার্যালয় বিধান ভবনে ব্যাপক বচসায় জড়িয়ে পড়েন কংগ্রেস নেতা-কর্মীরা। তাঁদের সাফ বক্তব্য, পাপিয়া চক্রবর্তীকে ঘাটালের প্রার্থী হিসাবে তাঁরা মানেন না। এক কংগ্রেস কর্মী বলেছেন, “সংসারে টাকা না দিয়ে পার্টি চালাই। আমাদের বুকের ক্ষোভ শীর্ষ নেতারা বুঝবে না। এরা সিপিএমের কাছে সিট বিক্রি করেছে। পাপিয়া চক্রবর্তীকে আমরা প্রার্থী হিসাবে মানি না।”

বামেদের কাছে সিট 'বেচেছে' নেতারা, বিধান ভবনে কোন্দল কংগ্রেসের অন্দরে
বামেদের কাছে সিট ‘বেচেছে’ নেতারা, বিধান ভবনে কোন্দল কংগ্রেসের অন্দরে

বাম-কংগ্রেস-আইএসএফ একুশের বিধানসভার মতোই এবারের আসন্ন লোকসভাতেও একসঙ্গেই লড়বে বলে সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু আসন সমঝোতা নিয়ে দেখা যায় সমস্যা। নওশাদ সিদ্দিকীর দলের সাথে মনোমালিন্য শুরু হয়ে গিয়েছে বামফ্রন্টের। একই আসনে সিপিআইএম ও আইএসএফ প্রার্থী দিচ্ছে। কংগ্রেসের সঙ্গে যে স্থিতিশীল সম্পর্ক রয়েছে বলে ভাবা হচ্ছিল, আজকের পর তাও প্রশ্নের মুখে।

বামেদের কাছে সিট 'বেচেছে' নেতারা, বিধান ভবনে কোন্দল কংগ্রেসের অন্দরে

রবিবারই তিন লোকসভা আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে কংগ্রেস। উলুবেড়িয়া কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ যুব কংগ্রেসের সভাপতি আজহার মল্লিক। বনগাঁ আসনে টিকিট দেওয়া হয়েছে হয়েছে প্রদীপ বিশ্বাসকে। ঘাটালে প্রার্থী পাপিয়া চক্রবর্তী। এই পাপিয়াকে নিয়েই যাবতীয় বিতর্কের সূত্রপাত।

বামেদের কাছে সিট ‘বেচেছে’ নেতারা, বিধান ভবনে কোন্দল কংগ্রেসের অন্দরে

বামেদের কাছে সিট 'বেচেছে' নেতারা, বিধান ভবনে কোন্দল কংগ্রেসের অন্দরে

যদিও প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা বহরমপুরের হাত প্রার্থী অধীর রঞ্জন চৌধুরীর বিরুদ্ধে সেভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করেননি কর্মীরা এবং আগামীদিনেও তাঁরা এই দলের হয়েই কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন। এখন, এই সমস্যার সমাধান কীভাবে করে হাত শিবির, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন