নিরপেক্ষতার প্রশ্নে কেন্দ্রীয় এজেন্সি এবং নির্বাচন কমিশনের প্রধানদের সেই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবিতে সোমবারই দিল্লিতে যান তৃণমূলের ১০ সদস্যের প্রতিনধি দল। সেই মতো কমিশনের দফতরের সামনে প্ল্যাকার্ড হাতে শান্তিপূর্ণ ধর্নায় বসেন তাঁরা। আধ ঘন্টার মধ্যেই আদর্শ আচরণ বিধি ভঙ্গের অভিযোগে টেনে হিঁচড়ে তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে প্রিজন ভ্যানে তুলল দিল্লি পুলিশ।
আরও পড়ুন: বালুরঘাটে আসছেন মোদী-শাহ, তার আগে ইটাহারে বুথ কর্মী সম্মেলনে সুকান্ত
তৃণমূলের ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দলে দলে রয়েছেন, ডেরেক ও’ব্রায়েন, মহম্মদ নাদিমুল হক, দোলা সেন, সাকেত গোখলে, সাগরিকা ঘোষ, বিবেক গুপ্তা, অর্পিতা ঘোষ, শান্তনু সেন, অধীররঞ্জন বিশ্বাস এবং সুদীপ রাহা। দিল্লি পুলিশের তরফে এভাবে তাঁদের তুলে নিয়ে যাওয়া হলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন রাজ্য সভার প্রাক্তন সাংসদ শান্তনু সেন।

গত বছর ১০০ দিনের কাজের বকেয়া অর্থ আদায়ে দিল্লিতে গিয়ে রাজঘাট, কৃষিভবনে ধর্নায় বসেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সেবারও ঠিক এরকমই দিল্লি পুলিশ তৃণমূলের প্রতিনিধিদলকে সরিয়ে দিয়েছিল। সেই প্রসঙ্গ উল্লেখ করে শান্তনু কটাক্ষ করেছেন, “জমিদারি রাজ চলছে। তেইশের পুনরাবৃত্তি চব্বিশে। সমস্ত কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে বিরোধী দমনে ব্যবহার করছে বিজেপি।”

নির্বাচন কমিশনের সামনে ধর্না, টেনে হিঁচড়ে তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে প্রিজনে তুলল দিল্লি পুলিশ
সাগরিকা ঘোষের অভিযোগ, তাঁকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। ভূপতিনগর কাণ্ডের পর বিভিন্ন কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে বিরোধীদের নেপথ্যে লেলিয়ে দেওয়া হচ্ছে, এই ইস্যুতে আরও বেশি করে সরব তৃণমূল কংগ্রেস। এনআইএ-এর এসপি ধনরাম সিংহের বাড়িতে বৈঠক করেছেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি, প্রমাণ ফাঁসের হুঁশিয়ারিও দিয়েছে রাজ্যের শাসক দল। পাল্টা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, প্রচারে লোক হচ্ছে না তাই দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা!




