লোকসভা নির্বাচনের অন্যতম হাইভোল্টেজ কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবার। কারণটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না! তৃণমূল সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভায় এই কেন্দ্র থেকে লড়েন। কিন্তু এ হেন গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে এখনও পর্যন্ত প্রার্থীই দিতে পারেনি বিরোধীরা।
আরও পড়ুন: শর্ত রেখেই রাজনীতিতে ফিরেছেন, ভোট মিটলে কি ফের শোনা যাবে ‘বিদায়ের বাণী’?
একুশের বিধানসভা থেকে বাংলায় যে জোট চলছে অর্থাৎ সিপিআইএম-কংগ্রেস-আইএসএফ, তা আসন্ন লোকসভাতেও বহাল রয়েছে। কিন্তু, আসন সমঝোতা নিয়ে টালবাহানা চলেই আসছে। প্রথম থেকেই জল্পনা চলছিল, ডায়মন্ডে সিপিআইএম-কংগ্রেস সমর্থিত প্রার্থী হতে পারেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী। কিন্তু, নওশাদ জানিয়েছেন, তাঁর দলের তরফে সবুজ সংকেত মেলেনি।

১৯ এপ্রিল থেকে লোকসভার প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরু হলেও ডায়মন্ড হারবারে ভোট শেষ দফায়, ১ জুন। তাই বিরোধীরাও কিছুটা সময় নিয়েই প্রার্থী নির্বাচন করতে চায়। কিন্তু এবার নওশাদদের জন্য দরজা বন্ধের পথে বামেরা। বারবার আলোচনাতেও যখন সমাধান সূত্র মিলছে না তখন, ডায়মন্ডে নিজেদের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিতে পারে আলিমুদ্দিন, এমনটাই জানা যাচ্ছে।

নওশাদদের জন্য দরজা বন্ধের পথে আলিমুদ্দিন, ডায়মন্ডে অভিষেকের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য CPIM প্রার্থী ইনিই!
প্রথম থেকেই ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে বামেদের পছন্দের প্রার্থী ছিলেন ছাত্র সংগঠন এসএফআই-এর রাজ্য সম্পাদক প্রতীক-উর-রহমান। এবার তাঁকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ‘প্রোজেক্ট’ করতে চায় আলিমুদ্দিন। সব কিছু ঠিক থাকলে, আগামী এক-দুই দিনের মধ্যেই ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে বামেদের প্রার্থীর নাম ঘোষণা হয়ে যাবে।

এবারের লোকসভায় বামফ্রন্টের কাছে ৮টি আসন দাবি করে আসছে আইএসএফ। তাতে বামেরা রাজি না থাকায় ৮ কেন্দ্রে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে নওশাদ সিদ্দিকীর দল। এখনও পর্যন্ত বাম ও কংগ্রেস মিলিতভাবে ৩১টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। বাকী কেন্দ্রেও হাত শিবিরের সঙ্গে আলোচনায় গেলেও আইএসএফ-এর সঙ্গে কার্যত আর আলোচনা বাড়াতে চায় না বামফ্রন্ট।



