নজরবন্দি ব্যুরোঃ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প হল দুয়ারে সরকার। দুয়ারে সরকারের মাধ্যমে রাজ্যের লাখো মানুষের সমস্যা দূর হয়েছে নিমেশেই। সেই কারনেই দুয়ারে সরকারের শিবির কবে হবে তাঁর দিকে তাকিয়ে থাকেন বাংলার আমজনতা। আর সেই আমজনতার কথা ভেবেই ফের ঘোষিত হল দুয়ারে সরকারের দিনক্ষন। এইবার ২১ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত চলবে শিবির। প্রস্তুতি শুরু হচ্ছে আগামীকাল থেকেই।
আরও পড়ুনঃ প্রেমিকের গালে চুমু খেয়েই জেল্লা বাড়াচ্ছেন ঋতাভরী! রহস্য ফাঁস করলেন নিজেই
আজ সব দফতরের সচিব, জেলাশাসক এবং পুলিশকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকেই দুয়ারে সরকারের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যায়। ঠিক হয়ে যায় চতুর্থ দফার দুয়ারে সরকারের দিনক্ষণ। ২০২০ সাল থেকে শুরু হওয়া ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচির গত তিনটি দফায় বহু মানুষ নানা সুবিধা পেয়েছেন।

গত দু’টি ‘দুয়ারে সরকার’-এ ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’-এ নাম নথিভুক্ত করার জন্য পৃথক বন্দোবস্ত ছিল। ফলে সেই প্রকল্প-সহ স্বাস্থ্যসাথী, নতুন কৃষকবন্ধু ইত্যাদি প্রকল্পে বেশিরভাগ উপভোক্তার নাম নথিভুক্ত হয়েছে। তাই এ বার হয়তো ‘দুয়ারে সরকার’-এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে যাবে তৃণমূল সরকারের সাফল্যের প্রচার কর্মসূচি। পরিকল্পনা রয়েছে, ব্লক-পুরসভা পর্যায় পর্যন্ত সরকারের এত দিনের পদক্ষেপের প্রচার হবে। সঙ্গে, বিভিন্ন দফতর এবং প্রকল্পগুলির কার্যকারিতাও তুলে ধরতে চাইবে সরকার।
আসছে আবার দুয়ারে সরকার, ২১ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত চলবে শিবির। কি কি সুবিধা?

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই ক্যাম্প এর মাধ্যমে জনগণ মোট ১৮ টি প্রকল্প সম্পর্কে তথ্য পাওয়া ও সুবিধা পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারেন। যার মধ্যে অন্যতম খাদ্য সাথী, স্বাস্থ্য সাথী, লক্ষীর ভান্ডার, শিক্ষাশ্রী, কন্যাশ্রী ইত্যাদি।

প্রশাসন সূত্রে খবর, সরকারের সবচেয়ে বড় প্রকল্পগুলির অন্যতম স্বাস্থ্যসাথী। সেই প্রকল্পের আওতায় প্রায় সব যোগ্য উপভোক্তাকেই আনা হয়েছে। অন্য বড় তথা খুবই খরচসাপেক্ষ প্রকল্প ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’-এ এ পর্যন্ত প্রায় ১ কোটি ৭৫ লক্ষ মহিলা উপভোক্তা নিজেদের নাম নথিভুক্ত করেছেন। বছরে এই বাবদ প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ভার নিতে হচ্ছে সরকারকে।



