নজরবন্দি ব্যুরোঃ পুরনো বিশ্বাস ফেরাচ্ছে বামেরা, ৩৪ বছরের শাসন ক্ষমতা হারিয়ে বাংলায় বিরোধী দলের জায়গা নিয়েছিল বামেরা। গত লোকসভা নির্বাচনের পর বাংলায় বিরোধী দল হিসেবে উঠে আসে বিজেপি। এতো বছরের মজবুত সংগঠন নেমে যায় মাত্র ৭ শতাংশে। বাংলায় এখন আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে আবার পুরনো ছন্দে ফিরছে আদি বাম। দফায় দফায় বৈঠকের পর একপ্রকার ঠিক হিয়েছে কংগ্রেসের সঙ্গে আসন রফা।


তারই মধ্যে বামেরা শুরু করেছে নির্বাচনের প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ। কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বৈঠকের শুরু থেকেই বামেদের দাবী ছিল গত নির্বাচনের জিতে থাকা আসন গুলিতে প্রার্থী দেবে বামেরাই। এবং সূত্রের খবর নিজেদের জিতে থাকা আসন গুলিতে প্রার্থী অপরিবর্তিত রাখছে বাম সংগঠন গুলি। তবে এবার বামেদের নবান্ন অভিযান কাল মাথার যে ছবি তুলে ধরেছিল, শোনা যাচ্ছে সেই প্রভাব পড়বে এবারের নির্বাচনের প্রার্থী বাছাইয়েও।
এমনিতেও বামের অন্দরের নতুন কে যায়গা ছেড়ে না দেওয়ার জন্য ক্ষোভ ছিল অনেক জায়গায়। সেই মত আসনের প্রায় ৪০ শতাংশ আসনে বামেরা প্রার্থী দেবে নতুন মুখেদের। তবে এসবের মধ্যে সবথেকে বড় চমক হতে চলেছে সুশান্ত ঘোষের পুনরায় ভোটে দাঁড়ানো। প্রায় ৯ বছর নিজের জেলার বাইরে থাকতে হয়েছিল তাঁকে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বাড়িতে ফেরেন কয়েকমাস আগেই।
এখনও নিজের এলাকায় সভা মিছিল করতে পারেন না তিনি। তবে ইতিমধ্যেই গোটা রাজ্য জুড়ে শুরু করেছেন একাধিক সভা মিছিল। ৯ বছরেও তাঁর বক্তব্যের ঝাঁঝ এতটুকু কমেনি। এখনও সমান ভাবে, বরং আরও নতুন করে উজ্জীবিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। সুশান্ত ঘোষকে সামনে রেখে জঙ্গল মহলের শক্তি বৃদ্ধি করতে চাইছে বামেরা। ফলে সাধারণ মানুষ প্রত্যাশা করছেন ফের প্ররারথী হিসেবে ফিরছেন তিনি। তবে সূত্রের খবর, গড়বেতা নয়, তিনি হয়ত এবার দাঁড়াবেন শালবনি থেকে।


পুরনো বিশ্বাস ফেরাচ্ছে বামেরা, বামেদের পুরাতন প্রার্থীরা মিজেদের পুরনো জায়গা থেকেই দাঁড়াচ্ছেন। বর্ষীয়ান নেতাদের মধ্যে যাদবপুর থেকে সুজন চক্রবর্তী, কামারহাটিত মানস মুখার্জী, শিলিগুড়িতে অশোক ভট্টাচার্য, তরুণ দলের মধ্যে কসবা থেকে শতরুপ ঘোষ, টালিগঞ্জ থেকে দেবদূত ঘোষ CPIM এর থেকে প্রার্থী হচ্ছেন।







