নজরবন্দি ব্যুরোঃ ১২ সাংসদের সাসপেনশন তুলে নেওয়া হবে না। মঙ্গলবার রাজ্যসভার অধিবেশন চলাকালীন এমনটাই জানালেন রাজ্যসভার চেয়ারপার্সন ভেঙ্কাইয়া নাইডু। এদিন চেয়ারপার্সন জানিয়েছেন, গত অধিবেশনে যে কর্মকাণ্ড তাঁরা করেছেন তার জন্য ক্ষমা চাননি তাই এখনই সাসপেনশন তুলে নেওয়া হচ্ছে না। ঘটনায় রাজ্যসভা বয়কটের সিদ্ধান্ত ডিএমকে, ন্যাশনাল কনফারেন্স এবং কংগ্রেসের। পাশপাশি রাজ্যসভা বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সমস্ত বিরোধী দলের নেতারাও।
আরও পড়ুনঃ শুধুমাত্র তৃণমূল নয়, কংগ্রেসের ডাকা বৈঠকে গরহাজির অন্যান্যরাও


মঙ্গলবার এই ইস্যুতে আলোচনা করার সমস্য বিরোধী দলনেতা মল্লিকাজুন খাড়গে চেয়ারপার্সন ভেঙ্কাইয়া নাইডুর কাছে আবেদন জানান, সংসদের নীতির বাইরে গিয়ে নির্বাচিত ১২ জন সাংসদকে সাসপেণ্ড করা হয়েছে। তাই ১২ জনের সাসপেনশন তুলে নেওয়ার জন্য চেয়ারপার্সনের কাছে আর্জি জানান তিনি। তিনি বলেন, চেয়ারপার্সন নিজে ১২ জন সাংসদের নাম ঘোষণা করেননি। যাদের সাসপেণ্ড করা হল, কী কারণে সাসপেণ্ড করা হল তা জানানো হয়নি। তাই এভাবে সাসপেশন আনা যায় না।
রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের তরফে সাসপেনশন তুলে না নেওয়ার পরেই রাজ্যসভা বয়কট করেন বিরোধীরা। সংসদের ভিতরে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে বিক্ষোভ দেখান সাংসদরা।


এর আগে সংসদ শুরু হওয়ার আগে ১২ জন সাংসদের সাসপেনশন নিয়ে সংসদের ভিতরে কী রণনীতি হবে তা নির্ধারণের জন্য রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে বিরোধী পক্ষের বৈঠক শুরু হয়। ১৬ দলের সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না তৃণমূল, সমাজবাদী পার্টি এবং জেডিএস নেতারা।
রাজ্যসভার চেয়ারপার্সন ভেঙ্কাইয়া নাইডুর কাছে এবিষয়ে আবেদন জানাতে উপস্থিত হবেন কংগ্রেস, ডিএমকে, শিবসেনা, এনসিপি, সিপি(আই)এম, সিপিআই, আরজেডি, আইইউএমএল, এলজেডি, এনসি, আরএসপি, টিআরএস সহ সমস্ত বিরোধী দলের সাংসদরা।
১২ সাংসদের সাসপেনশন তুলে নেওয়া হবে না, রাজ্যসভা বয়কট বিরোধীদের
উল্লেখ্য, বাদল অধিবেশনে রাজ্যসভার মধ্যে বিশৃঙ্খলা ছড়ানোর অভিযোগে ১২ জন সাংসদকে সাসপেণ্ড করা হয়। এই তালিকায় রয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ ফুলো দেবী নেতাম, ছায়া বর্মা, রিপুন বোরা, রাজামণী প্যাটেল, সৈয়দ নাসির হুসেইন, অখিলেশ প্রসাদ সিং। তৃণমূলের সাংসদদের মধ্যে রয়েছেন দোলা সেন এবং শান্তা ছেত্রী, সিপি(আই)এমের এলামারাম করিম, শিবসেনার প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদী, অনীল দেশাই, সিপিআইয়ের বিনয় বিশ্বম।







