পৃথিবী করোনার আগে একরকম ছিল। মহামারীর পর পাল্টে গেছে পৃথিবী। করোনার জেরে সারা বিশ্বে বহু মানুষের প্রাণহানি হয়েছে, বহু মানুষ তাদের প্রিয়জনকে হারিয়েছে। বিজ্ঞানীরা অবশ্য বলেছেন, করোনাতেই শেষ নয়। আরও ভাইরাস হানা হতে পারে পৃথিবীতে। ফলে এখনই মানবজাতির সাবধান হওয়া ছাড়া গতি নেই। ডাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে এক জায়গায় হয়েছেন বহু রাষ্ট্রনেতা। সেখানে Disease X নিয়ে কথা উঠেছে।



আরও পড়ুন : গোটা বিশ্ব ভারতকে ভরসা করে, ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রসঙ্গে অশ্বিনী বৈষ্ণব
বলা হচ্ছে, করোনার পর এই ভাইরাস নিয়ে সব থেকে বেশি ভয়ঙ্কর। পশ্চিম আফ্রিকায় ২০১৪ সালে ইবোলা মহামারীর পরে Disease X এর প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল। পরবর্তীকালে WHO করোনাভাইরাস, ক্রিমিয়ান-কঙ্গো হেমোরেজিক ফিভার, ইবোলা ভাইরাস ডিজিজ এবং মারবার্গ ভাইরাস ডিজিজ, লাসা ফিভার, মিডল ইস্ট রেসপিরেটরি সিন্ড্রোম, SARS, নিপাহ, হেনিপাভাইরাল ডিজিজ, রিফ্ট ভ্যালি ফিভার, জিকার মতো ভাইরাসজনিত রোগের ঘোষণা করেছিল।
তবে আবার ভয়ঙ্কর দিন ফিরে আসতে চলেছে। করোনার আরও ভয়ঙ্কর স্ট্রেন GX P2V নিয়ে গবেষণা করছে চীন। জানা যাচ্ছে, যে ভাইরাসের কথা বলা হচ্ছে তা ১০০ শতাংশ মারণক্ষমতা সম্পন্ন। ইতিমধ্যেই ইঁদুরের ওপর পরীক্ষানিরীক্ষা চালিয়ে সম্পূর্ণ সাফল্য পেয়েছে চীন। এই ভাইরাস শরীরে প্রবেশের পরে কিছুক্ষণের মধ্যেই তা মস্তিষ্ক-সহ একাধিক অঙ্গ আক্রমণ করতে শুরু করছে এবং মাত্র ৮ দিনের মধ্যেই তাদের মৃত্যু হচ্ছে ।

১০০ শতাংশ প্রাণঘাতী করোনার নতুন স্ট্রেইন, আবার কি ফিরবে মহামারী?
তবে মানুষের শরীরে এটি কতটা সফল হবে তা এখনই বলা সম্ভব নয়। বিশেষজ্ঞ ফ্রাঙ্কোইস ব্যালোক্স জানান, “এই গবেষণাটি কার্যকর নয় ঠিকই, কিন্তু বিপজ্জনক হতে পারে।” ইতিমধ্যেই চীনে নতুন ভাইরাস নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।









