দিঘা থেকে মাত্র ৩৮০ কিলোমিটার দূরে ইয়াস, গতিবেগ ঘন্টায় ১৮৫ কিলোমিটার।

দিঘা থেকে মাত্র ৩৮০ কিলোমিটার দূরে ইয়াস, গতিবেগ ঘন্টায় ১৮৫ কিলোমিটার।
দিঘা থেকে মাত্র ৩৮০ কিলোমিটার দূরে ইয়াস, গতিবেগ ঘন্টায় ১৮৫ কিলোমিটার।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ সমুদ্রে ক্রমশ শক্তি বাড়াচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’। মৌসম ভবন সূত্রে খবর, দিঘা থেকে মাত্র ৩৮০ কিলোমিটার দূরে ইয়াস। আর স্থলভূমিতে আছড়ে পড়ার সময় হাওয়ার গতিবেগ থাকতে পারে ঘন্টায় ১৮৫ কিলোমিটার। এখনও পর্যন্ত অনুমান ওডিশার বালাসোরের কাছেই আছড়ে পড়তে চলেছে প্রবল ঘূর্ণিঝড় ইয়াস।

আরও পড়ুনঃ অবশেষে গোটা দেশকে স্বস্তি দিয়ে সংক্রমণ নামলো ২ লক্ষেরও নিচে

এর গতিপথ এখনও পরিবর্তন হয়নি বলেই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী,  ইয়াস আগামী ২৬ মে আছড়ে পড়বে বাংলার সমুদ্র উপকূলে। তবে ঠিক কোথায় (Landfall) আছড়ে পড়বে সেটা সম্পর্কে এখনও নিশ্চিন্ত নন আবহবিদরা। তবে সবচেয়ে সম্ভাবনা এই রাজ্যেই। নিম্নচাপের প্রভাবে শনিবার দুপুর থেকেই দক্ষিণবঙ্গে শুরু হয়েছে প্রবল বৃষ্টি।

হাওয়া অফিস জানাচ্ছে বৃষ্টির পরিমান আরও বাড়বে। ২৬ তারিখ থেকে শুরু হবে ভারী বৃষ্টি, সেই সঙ্গে ঝড়ো হাওয়া। হাওয়ার গতিবেগ থাকতে পারে ৫০-৭০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা। অপর দিকে মঙ্গলবার থেকেই এই সাইক্লোনের প্রভাবে ঝোড়ো বাতাস বইবে জেলায় জেলায়। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলিতে।

বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, স্বাস্থ্য, বিদ্যুত্‍-সহ রাজ্য প্রশাসনের অনান্য দফতরগুলি যুদ্ধকালীন তত্‍পরতায় সাইক্লোন মোকাবিলার প্রস্ততি নিচ্ছে। চালু হয়েছে কন্ট্রোল রুম। ইয়াস-এর সতর্কবার্তা থাকা জেলা গুলোতে দলীয় বিধায়কদের মুখ্যমন্ত্রী চারটি নির্দেশ দিয়েছেন। ১) জনপ্রতিনিধি হিসেবে মানুষের পাশে থাকতে হবে। ২) উপকূলবর্তী অঞ্চলে থেকে মানুষকে সরিয়ে এনে খাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

৩) যতক্ষণ দুর্যোগ না কাটছে ও নিজের বিধানসভা অঞ্চলে সর্বক্ষণ নজর রাখতে হবে। ৪) দুর্যোগ কেটে যাওয়ার পর ঘরবাড়ি তৈরি থেকে শুরু করে, যাবতীয় প্রয়োজনে মানুষের পাশে থাকতে হবে। সেই নির্দেশ মেনেই জেলায় জেলায় চলছে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলার প্রস্তুতি।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here