নজরবন্দি ব্যুরোঃ ১৪৪ ধারা জারি থাকার সত্ত্বেও রাজভবনের সামনে বিক্ষোভ, পুলিশের কমিশনারের কাছে জবাব চাইলেন রাজ্যপাল। গত সোমবার নারদা মালমায় তৃণমূলের চার হেভিওয়েট নেতাকে গ্রেফতার করে সিবিআই। যার মধ্যে দুজন রাজ্যের মন্ত্রী, একজন বিধায়ক ও একজন প্রাক্তন বিধায়ক। ধৃত চার নেতাকে নিয়ে যাওয়া হয় নিজাম প্যালেসে। এই ঘটনা সামনে আসতেই সিবিআই অফিসের বাইরে ভিড় বাড়ান তৃনমূল কর্মী-সমর্থকেরা।
আরও পড়ুনঃ নারদ কান্ডে মমতা দিদির পাশেই বিরোধী দলনেতারা।


নেতাদের মুক্তির দাবি নিয়ে বিক্ষোভ দেখায় ক্ষুব্ধ কর্মীরা। মমতার সরকারের অভিযোগ বাংলায় ক্ষমতা দখল বিজেপির জন্য স্বপ্নই রয়েছে গেছে। হাজার চেষ্টার পরে তারা বাংলায় নিজের জায়গা করে নিতে পারেনি তাই তৃনমূল নেতা মন্ত্রীদের গ্রেফতার করাচ্ছে। এই গ্রেফতারিকে বেআইনি বলেই দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী, বিধানসভার স্পিকার-সহ সিপিআইএম নেতারাও।
পরবর্তী সময়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে জানানো হয়, নারদা কান্ডের তদন্তের জন্য রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় অনুমতি দিয়েছেন। এবং গ্রেফতারির জন্য রাজ্যপালের অনুমতিই যথেষ্ট। জানা গিয়েছে গত ৭ মে রাজ্যপাল সিবিআইকে এই অনুমতি দিয়েছেন। এই ঘটনার জেরেই ফের একবার রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত তুঙ্গে। ফের রাজ্যপালের বিরুদ্ধে বিজেপির হয়ে কাজ করার অভিযোগ তোলে শাসকদল।
পুলিশের উপস্থিতিতে রাজভবনের সামনে বিক্ষোভ কেন? প্রশ্ন ধনকড়ের। নারদা স্টিং অপরেশনে মুকুল রায় ও শুভেন্দু অধিকারীকেও দেখা গেছে। কিন্তু তাঁদের কেন গ্রেফতার করা হল না? রাজনৈতীক মহলের একাংশের দাবি বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জন্যই তাঁদের গ্রেফতার করা হয়নি। রাজভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখায় তৃনমূল কর্মীরা। যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জগদীপ ধনকড়।


মঙ্গলবার এক ব্যক্তি ভেড়ার পাল নিয়ে রাজভবনের সামনে প্রতিবাদে সরব হন। বুধবার টুইটে এই ঘটনার উল্লেখ করে উদ্বেগ প্রকাশ করেন রাজ্যপাল। রাজভবনের সামনে ১৪৪ ধারা জারি থাকা সত্ত্বেও এবং কলকাতা পুলিশের উপস্থিতিতে কিভাবে এমন ঘটনা ঘটল? প্রশ্ন তুলেছেন জগদীপ ধনকড়। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতা পুলিশ কমিশনারের কাছে জবাবও তলব করেছেন তিনি।







