নজরবন্দি ব্যুরোঃ লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, দেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২,৮২,৯৭০ জন। গতকালের তুলনায় আক্রান্তের হার বেড়েছে ১৮ শতাংশ। গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ৪৪১ জনের। মোট মৃতের সংখ্যা ৪,৮৭,২০২ জন। সেই নিয়েই মঙ্গলবার বিশেষ সতর্কতা জারি করলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। তাঁরা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, কোভিড ১৯ অতিমারি (Covid-19 Pandemic) শেষ হয়ে যাবে না। তবে এটা একটা স্থানিক অসুস্থ হওয়ায় এর ভয়াবহতা আস্তে আস্তে কমে যাবে।
আরও পড়ুনঃ COVID-19: ফের বাড়ল দেশের দৈনিক করোনা সংক্রমণ, চিন্তা বাড়াচ্ছে মৃত্যুর সংখ্যা


বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) এমার্জেন্সি ডায়রেক্টর মাইকেল রিয়ান ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরামে (World Economic Forum) একটি ভার্চুয়াল সেশনে অতিমারি বনাম মহামারি নিয়ে আলোচনা করছিলেন৷। সেখানে তিনি বলেন, এডস (AIDS), ম্যালেরিয়া (Malaria) এবং এইচআইভির (HIV) মতো অসুস্থতাও হাজার হাজার মানুষের প্রাণ নেয়। আসলে মহামারি-র মানে কোনও অসুখ যা স্থায়ী ভাবে জনগণের মধ্যে থেকে যাবে। করোনা মহামারির (Coronavirus) যে ভাবে থাকছে তাতে এই ভাইরাস কোনওভাবেই পুরোপুরি শেষ হয়ে যাবে না।
দাভোসে ভ্যাকসিন ইক্কিটি কার্যক্রমে কথা বলার সময় তিনি স্থানিক অসুস্থতার মানে এই নয় যে এটা ভাল, এর মানে এটা এখন চিরজীবনের জন্য আমাদের সঙ্গে থাকবে। মাইকেল রিয়ান বলেছেন করোনা ভাইরাসের (Coronavirus) নতুন প্রজাতি ওমিক্রন (Omicron) ভ্যারিয়েন্ট অত্যন্ত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। অন্য ভ্যারিয়েন্ট তুলনায় কম ঘাতক।
সারা পৃথিবীতেই এই নিয়ে জোর তর্ক চলছে যে করোনা মহামারি (Coronavirus) এবার স্থানিক অসুখ হয়ে যেতে চলেছে। কিন্তু এই ভাইরাসের অসুস্থতার ভয় কম হবে। মাইকেল রিয়ান বলেছেন এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা কমাতে অধিক থেকে অধিকতর ভ্যাকসিন লাগবে৷ যাতে আক্রান্তের মৃত্যু না হয়। তিনি বলেছেন, এই এমারজেন্সি মহামারি শেষ হওয়া অবধি থাকবে।


WHO জারি করল Alert, AIDS & HIV-এর মতই সারা জীবন থেকে যাবে করোনা ভাইরাস

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এমারজেন্সি ডাইরেক্টর, মাইকেল রিয়ান বলেছেন ২০২২-এ করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে হাসপাতালে ভর্তি এবং তার সঙ্গে যুক্ত মৃত্যুর ঘটনা অনেকটা কম। কারণ করোনা ভ্যাকসিন (Corona Vaccine) মহামারির সঙ্গে লড়াই করবে। কিন্তু তিনি এও সতর্ক করে দিয়েছেন, ভাইরাস এই বছরে শেষ হবে না। মহামারির সঙ্গে যুক্ত ভাইরাস আমাদের ইকোসিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত। সেখানেই তিনি বলেন মহামারির সঙ্গে যুক্ত গম্ভীর মামলাতে ভ্যাকসিনের ৩ থেকে ৪ ডোজ দেওয়ার সম্ভবনা দেখা যেতে পারে।







