লোকসভা ভোটের আগেই পাঁচ দিনের উত্তরবঙ্গ সফরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার সন্ধ্যেতেই কোচবিহারের সার্কিট হাউসে পৌঁছে গিয়েছেন তিনি। সোমবার ফুলবাড়িতে প্রশাসনিক সভা করবেন মুখ্যমন্ত্রী। উত্তরবঙ্গে রাজবংশী ভোট একটা বড় ফ্যাক্টর হিসাবে কাজ করে। আর সে কথা মাথায় রেখেই ভোটের প্রাক্কালে সরকারি পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠান থেকে একাধিক প্রকল্পের ঘোষণা করতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন: হাইকোর্ট থেকে মেডিক্যাল মামলা সরানোর নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের


সূত্রের খবর, সোমবার উত্তরবঙ্গে ২০০টি রাজবংশী ভাষার স্কুল উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রস্তুত হয়েছে সেই তালিকায়। দীর্ঘদিন ধরে সে এলাকার মানুষের দাবি ছিল, রাজবংশী ভাষার আলাদা স্কুলের। এবার সেই দাবিই পূরণ করতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়া উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগমের ৪৩টি নতুন বাসের সূচনা করার কথা রয়েছে তাঁর। এছাড়াও আরও অনেক কিছুর ঘোষণা করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী।

রবিবার হাসিমারা সেনা ছাউনিতে নামার পর চিলাপাতা-সোনাপুর হয়ে কোচবিহারে প্রবেশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপর সার্কিট হাউসে পৌঁছে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ, মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং রবীন্দ্রনাথ ঘোষ সহ জেলার নেতাদের নিয়ে একদফা বৈঠক সারেন তিনি।



উত্তরবঙ্গে ফ্যাক্টর রাজবংশী ভোট, কোচবিহার থেকে কী বার্তা দেবেন মমতা?
বরাবরই কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, রায়গঞ্জ ও বালুরঘাট জেলার রাজবংশী ভোট নিয়ন্ত্রণ করে এই জেলার ফলাফলকে। পরিসংখ্যার বিচারে, কোচবিহারে ৬২ শতাংশ, জলপাইগুড়িতে ৫০ শতাংশ, আলিপুরদুয়ারে ৩৮ শতাংশ, রায়গঞ্জে ৫২ শতাংশ এবং বালুরঘাটে ৪৮ শতাংশ রাজবংশী ভোট রয়েছে। সেই ভোটকে ঘাসফুলের ঝুলিতে টানতে বদ্ধপরিকর তৃণমূলনেত্রী।

সোমবার কোচবিহারের কর্মসূচি সেরে মঙ্গলবার রায়গঞ্জ ও বালুরঘাটে যাবেন মুখ্যমন্ত্রীর। সেখানেও তাঁর প্রশাসনিক কর্মসূচি রয়েছে। এরপর বুধবার মালদহ, মুর্শিদাবাদের কর্মসূচি সেরে কৃষ্ণনগর হয়ে বৃহস্পতিবার কলকাতা ফেরার কথা মমতা বন্দ্যোপাধায়ের। মোট পাঁচ দিনে সাত জেলায় যাবেন তিনি।







