BJP-ISF: বিজেপি সঙ্গে কীসের সমঝোতা হয়েছিল? নওশাদের সঙ্গে লেনদেন নিয়ে প্রশ্ন ফিরহাদের

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ কোনও এক প্রভাবশালী নেতার সঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে থেকেই যোগ ছিল নওশাদ সিদ্দিকির। এমনকি তাঁর কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা পার্টি ফান্ডে ঢুকেছিল। গতকাল লালবাজার সূত্রে এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাপানুতোর শুরু হয়েছে। সেই ঘটনার মধ্যে এবার আইএসএফকে চাপে ফেলার প্রক্রিয়া শুরু করল তৃণমূল।

আরও পড়ুনঃ TET Scam: ২৫০ টি ওএমআর শিট উদ্ধার হয়েছে, প্রশ্নের মুখে দেড় মাস আগের টেট

এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, কোটি কোটি টাকা নওশাদ সিদ্দিকির দলে কে দিয়েছে? এই টাকা কীভাবে এল? কোথা থেকে এল? কারা দিল? নির্বাচনের মুখেই কেন এত বড় লেনদেন হল? একুশের নির্বাচনের অভিপ্রায় কী ছিল? বিজেপি সঙ্গে কীসের সমঝোতা হয়েছিল? হায়দ্রাবাদ থেকে যারা আসত, মিম। তাঁদের বলতাম বিজেপি বি টিম। এখন তো দেখছি নওশাদ সিদ্দিকি সাহেব নিজে বিজেপির বি টিম হয়ে কাজ করেছে। অত্যন্ত দুঃখের।

বিজেপি সঙ্গে কীসের সমঝোতা হয়েছিল? নওশাদকে প্রশ্ন ফিরহাদের 
বিজেপি সঙ্গে কীসের সমঝোতা হয়েছিল? নওশাদকে প্রশ্ন ফিরহাদের 

আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির দুটি মোবাইল ফোন খতিয়ে দেখা হয়েছে। সেই মোবাইল ফোন থেকে একাধিক তথ্য মিলেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, বিধানসভা নির্বাচনের আগে থেকেই রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল নওশাদ সিদ্দিকির। এমনকি সেই ব্যক্তির থেকে কোটি কোটি টাকা পার্টি ফান্ডে ঢুকেছিল। এমনকি বিধানসভা ভোটের সময় প্রশাসনিক এবং সাংগঠনিক স্তরে কী কী পরিবর্তন করতে হবে? সেবিষয়েও তাঁকে গাইড করত ওই ব্যক্তি?

এখন প্রশ্ন হল নওশাদের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা কে? তা নিয়ে একাধিক যোগ উঠে আসতে শুরু করছে। তৃণমূলের তরফে একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন সামনে রেখে বলা হচ্ছে, এর সঙ্গে বিজেপির যোগ রয়েছে। নির্বাচনের সময় আইএসএফ বিজেপির বি টিম হিসেবে কাজ করেছে।

বিজেপি সঙ্গে কীসের সমঝোতা হয়েছিল? নওশাদকে প্রশ্ন ফিরহাদের 

বিজেপি সঙ্গে কীসের সমঝোতা হয়েছিল? নওশাদকে প্রশ্ন ফিরহাদের 
বিজেপি সঙ্গে কীসের সমঝোতা হয়েছিল? নওশাদকে প্রশ্ন ফিরহাদের 

এছাড়াও ২১ জানুয়ারি ধর্মতলার সভা কী কারণে ডাকা হয়েছিল? এর পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল কি না? সবটা খরিয়ে দেখার চেষ্টা করছে পুলিশ। এমনকি ধর্মতলার ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত কী না সেটাও খতিয়ে দেখার কাজ শুরু হয়েছে। এজন্য নওশাদের দুটি মোবাইল ফোন ফরেন্সিক টেস্টের জন্য পাঠানোর আবেদন জানানো হয়েছে পুলিশের তরফে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

বিজ্ঞাপন

আরও খবর