Saayoni Ghosh: রাখে হরি তো মারে কে! তৃণমূলের খুঁটিপুজো সেরেই কেন এমন সুর সায়নীর গলায়?

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো: অপেক্ষার আর মাত্র এক সপ্তাহ। তারপরেই আসছে ২১ শে জুলাই, অর্থাৎ তৃণমূলের শহিদ দিবস। প্রত্যেক বছরের মতোই এবছরও দলের কর্মী সমর্থকদের উদ্দেশ্যে ‘ধর্মতলা চলো’ ডাক দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগে আজ, শুক্রবার ধর্মতলা মোড়ে সম্পন্ন হল শহিদ দিবসের খুঁটিপুজো। যার মূল আহ্বায়ক ছিলেন তৃণমূল যুব নেত্রী তথা অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ। আর এদিন খুঁটিপুজো সেরেই তিনি বললেন, রাখে হরি তো মারে কে! কেন এমন সুর সায়নীর গলায়?

আরও পড়ুন: ৩৫০ কোটি টাকার নিয়োগ দুর্নীতি! তদন্ত কি অনন্তকাল চলবে? ইডিকে প্রশ্ন বিচারপতি সিনহার

শেষ হয়েছে পঞ্চায়েত ভোট। রাজ্যের প্রায় প্রতিটি জেলায় নিজেদের একাধিপত্য বজায় রেখে বিপুল ভোটে জয় পেয়েছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। আর পঞ্চায়েতে তৃণমূলের ব্যাপক জয় নিয়েই মুখ খুললেন সায়নী ঘোষ। সেই প্রসঙ্গেই তিনি বললেন, রাখে হরি তো মারে কে! আর মারে হরি তো রাখে কে! বাংলার মানুষ পঞ্চায়েতের ফলাফলে বুঝিয়ে দিয়েছেন, তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই আছেন’। এর আগে পঞ্চায়েতের ফল প্রকাশ হতেই ট্যুইট করে নেত্রী অভিষেক বন্দ্যোপধ্যায় ও তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে এই জয়ের কৃতিত্ব দিয়েছেন সায়নী। তাঁর মতে, মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়ন মডেল এবং অভিষেকের নবজোয়ারের কারণেই বিপুল ভোটে জিতেছে তৃণমূল।

প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কুন্তল ঘোষের সূত্র ধরে সায়নী ঘোষকে তলব করেছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ইডি। তাও আবার পঞ্চায়েত ভোটের মাত্র কয়েকদিন আগেই। সেই সময় প্রচার নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও প্রথম হাজিরায় সিজিও কমপ্লেক্সে উপস্থিত হয়েছিলেন তৃণমূলের যুব নেত্রী। সেদিন প্রায় ১১ ঘন্টা ইডির জেরা সামলেছিলেন তিনি। এরপর ফের দ্বিতীয়বারের জন্য তলব করেছিল ইডি। কিন্তু সেবার হাজিরা দেননি সায়নী।

রাখে হরি তো মারে কে! তৃণমূলের খুঁটিপুজো সেরেই কেন এমন সুর সায়নীর গলায়?

হাজিরা না দিলেও ইডির নির্দেশ মতো নিজের আইনজীবীর হাত দিয়ে ৫৩০ পাতার নিজের আর্থিক লেনদেনের হিসেব ইডির দফতরে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। যদিও সূত্রের খবর ছিল, সায়নীর হিসেবনিকেশের কাগজ দেখে খুশি হয়নি ইডি। আবার একবার ফের তাঁকে তলব করাও হতে পারে বলে জানা যায়।

রাখে হরি তো মারে কে! তৃণমূলের খুঁটিপুজো সেরেই কেন এমন সুর সায়নীর গলায়?

এবার ইডির প্রসঙ্গ নিয়ে সায়নী বললেন, ‘তদন্তকারী সংস্থার উপর নানারকম চাপ থাকে। তাঁরা ডাকতেই পারেন। তাঁদের এক্তিয়ার আছে তলব করার। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নবজোয়ারকেও বাধা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু এ সব করে কখনওই তৃণমূলকে আটকানো যায়নি, যাবেও না। ভোটের আগে বহিরাগতদের পাঠিয়ে ভেবেছিল মানুষের মন জয় করবে। কিন্তু মানুষ পঞ্চায়েতে বুঝিয়ে দিয়েছেন’।

রাখে হরি তো মারে কে! তৃণমূলের খুঁটিপুজো সেরেই কেন এমন সুর সায়নীর গলায়?

রাখে হরি তো মারে কে! তৃণমূলের খুঁটিপুজো সেরেই কেন এমন সুর সায়নীর গলায়?

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত