‘যদি ভাবেন ইডি-র জুজু দেখিয়ে আমাকে ভয় দেখাবেন, তাহলে ভুল করছেন’, ইডি দপ্তর থেকে বেরিয়ে হুঙ্কার অভিষেকের

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠাদিবসের কর্মসূচিতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলের সর্বময় নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ‘‘অভিষেককে হয়তো আবার নোটিস পাঠাবে ওরা।’’ ওই মঞ্চে দাঁড়িয়ে অভিষেকও বলেছিলেন, ‘‘কিছু ঘটবে।’’ পরের দিনই, অর্থাৎ মঙ্গলবার অভিষেককে ইডির তলবের খবর রাজ্য রাজনীতিতে আলাদা মাত্রা যোগ করেছে।

আরও পড়ুনঃ সিগারেটের প্যাকেটে লিখে নাকি চাকরি হত, কোন আমলের কথা বললেন বিমান?

আর আজ ইডি-র সামনে নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট আগেই অভিষেক পৌঁছান ইডি দফতরে। তার পর দীর্ঘ ৭ ঘণ্টা পর সেই দফতর থেকে বেরিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, “আগে ২ বার কেন্দ্রীয় এজেন্সির জেরার সম্মুখীন হয়েছি। আমি আমার কথামতো তদন্তে সহযোগিতা করেছি। গত দু’বার দিল্লিতে গিয়েছিলাম।

'যদি ভাবেন ইডি-র জুজু দেখিয়ে আমাকে ভয় দেখাবেন, তাহলে ভুল করছেন', ইডি দপ্তর থেকে বেরিয়ে হুঙ্কার অভিষেকের
‘যদি ভাবেন ইডি-র জুজু দেখিয়ে আমাকে ভয় দেখাবেন, তাহলে ভুল করছেন’, ইডি দপ্তর থেকে বেরিয়ে হুঙ্কার অভিষেকের

আদালতের নির্দেশে এখন কলকাতায় জেরার মুখোমুখি হয়েছি। প্রথমত এটাই আমার নৈতিক জয়। আমার স্ত্রীকে ২ বার সিবিআই, একবার ইডি ডেকেছিল। দু’জনে মোট ৬ বার জেরার মুখোমুখি হয়েছিল। ফলাফল প্রতিবারই শূন্য। লিখিত বয়ান দিয়েছি।

'যদি ভাবেন ইডি-র জুজু দেখিয়ে আমাকে ভয় দেখাবেন, তাহলে ভুল করছেন', ইডি দপ্তর থেকে বেরিয়ে হুঙ্কার অভিষেকের

বারবার বলছি আমি সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। যাঁরা দিল্লি থেকে কলকাতায় এসে তদন্ত করছেন তাঁদের কাউকে দোষারোপ করছি না। যাঁরা ক্যামেরার সামনে হাত পেতে টাকা নিল তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। রাজনৈতিকভাবে লড়াই করতে পারছে না বলে বারবার ডেকে পাঠানো হচ্ছে।”

'যদি ভাবেন ইডি-র জুজু দেখিয়ে আমাকে ভয় দেখাবেন, তাহলে ভুল করছেন', ইডি দপ্তর থেকে বেরিয়ে হুঙ্কার অভিষেকের

‘যদি ভাবেন ইডি-র জুজু দেখিয়ে আমাকে ভয় দেখাবেন, তাহলে ভুল করছেন’, ইডি দপ্তর থেকে বেরিয়ে হুঙ্কার অভিষেকের

এর পরেই অমিত শাহকে নাম না করে অভিষেকের তোপ, “কেউ যদি বলে কারও ছেলেকে আমি আক্রমণ করেছি বলে সিবিআই, ইডি’র জুজু দেখানো হচ্ছে। দিল্লিতে বসে থাকা জল্লাদদের কাছে মাথানত করব না। সারা ভারতের লোককে জাতীয়তাবাদ, দেশপ্রেম শেখাচ্ছেন। গরিব মানুষদের হর ঘর তেরঙ্গা কর্মসূচিতে যোগ দিতে বলছেন। আগে নিজের ছেলেকে দেশপ্রেম, জাতীয়তাবাদ শেখান। তারপর অন্যকে শেখাবেন উপনির্বাচনগুলিতে মুখ থুবড়ে পড়েছেন। আপনি রাজনৈতিকভাবে লড়ুন। আপনারা কী ভাবছেন, সিবিআই, ইডি দিয়ে তৃণমূলকে ধমকে চমকে চুপ করিয়ে রাখবেন? ”

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন