নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বর্তমান রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। বাম আমলের কথা উল্লেখ করে চিরকুটে চাকরির তত্ত্ব দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার চিরকুটে চাকরির কথা নাম না করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই বুঝিয়ে দিলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। সিগারেটের প্যাকেটে লিখে নাকি চাকরি হত, বিস্ফোরক মন্তব্য বিমান বসু।
আরও পড়ুনঃ Teesta Setalvad: অবশেষে জামিন পেলেন সমাজকর্মী তিস্তা শেতলবাদ


বর্ষীয়ান বাম নেতার কথায়, ১৯৭৩ সালে সিদ্ধার্থশঙ্কর রায় যখন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তখন সিগারেটের প্যাকেটে লিখে পাঠিয়ে দেওয়া হত রাইটার্স বিল্ডিংয়ে।সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ২০১১ সালের পর একের পর এক যেভাবে নিয়োগ হচ্ছে তা দেখাই যাচ্ছে। তবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সিগারেটের প্যাকেটে নাকি লিখে চাকরি হত এক সময়। হ্যাঁ হত। তার জন্য ইতিহাস-ভূগোল জানতে হবে।

বিমান বসুর সংযোজন, ১৯৭৩ সালে সিদ্ধার্থশঙ্কর রায় যখন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তখন সিগারেটের প্যাকেটে লিখে পাঠিয়ে দেওয়া হত রাইটার্স বিল্ডিংয়ে। আর তাঁদের সবাইকে ঢোকাতে হত। এমনও হয়েছিল রাইটার্সে কোন দফতরে চাকরি, কোন স্কেলে তাও ঠিক হয়ে যেত। কিন্তু, বামফ্রন্টের আমলে চিরকুট দিয়ে কখনও চাকরি হয়নি।
পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেস ও বাম জমানায় এধরনের ঘটনা ঘটেনি। একথা বারবার উল্লেখ করে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন বিমান। তাঁর কথায়, পশ্চিমবঙ্গে এর আগে বামফ্রন্ট সরকার ছিল, কংগ্রেস সরকার ছিল কখনও তো এ ঘটনা আগে ঘটেনি। এ ধরনের অবস্থা তৈরি করার জন্য দায়ী কে? তৃণমূল কংগ্রেস আবার কে!


সিগারেটের প্যাকেটে লিখে নাকি চাকরি হত, কংগ্রেস আমলের গল্প শোনালেন বিমান

শাসক দলের বিরুদ্ধে বিমানের বাণী, এ কথা সত্য তৃণমূলের সবাই চোর নয়। ওদের পদাধিকারী, ধরুন যাঁর মাথায় অক্সিজেনের অভাব আছে, তিনি একটা জেলার তৃণমূলের সভাপতি। তাঁর আবার আপ্ত সহায়ক আছে। যা অবস্থা এখন আর কেউ মেয়ের নাম সুকন্যা রাখবে না। সুকন্যাকে যদি বাবা কুকন্যা তৈরি করে তাহলে তো সর্বনাশ। শোনা যাচ্ছে সে নাকি পরীক্ষা দেয়নি। কিন্তু শিক্ষকের তালিকায় তাঁর নাম আছে।







