নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রয়াত রাজ্যের প্রাক্তন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী। রবিবার ভোরে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্য়াগ করেন। ৮৮ বছর বয়সে দেহাবসান হয় তাঁর । পশ্চিমবঙ্গের ২০ তম রাজ্য়পাল ছিলেন তিনি। গত ডিসেম্বর মাস থেকেই উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। মূলত শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়েই তাঁকে ভর্তি করানো হয়েছিল হাসপাতালে। গত সপ্তাহেই তাঁকে বাড়ি নিয়ে আসা হয়। আজ, রবিবার ভোর ৫টা নাগাদ তিনি শেষ নিশ্বাস ত্য়াগ করেন।
আরও পড়ুনঃ ক্যানসারে আক্রান্ত ব্যান্ড ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’র বাপিদা, পাশে দাঁড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী


পরিবার সূত্রে খবর, রাজ্যের প্রাক্তন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী গত ৮ ডিসেম্বর বাথরুমে পড়ে যান, তাঁর হাত ভেঙে যায়। এরপরে গত ৩১ ডিসেম্বর হঠাৎ তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা যায় তাঁর। তাঁকে প্রয়াগরাজের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে আইসিইউ-তে ভর্তি ছিলেন তিনি। এরপর বাড়ি ফিরে এলেও রবিবার ভোর পাঁচটা নাগাদ তিনি শেষ নিশ্বাস ত্য়াগ করেন। এর আগে তিনি দুইবার করোনা আক্রান্তও হয়েছিলেন তারপরই শ্বাসঘটিত সমস্যা দেখা গিয়েছিল।

১৯৩৪ সালের ১০ নভেম্বর উত্তর প্রদেশের এলাহাবাদে জন্ম গ্রহণ করেন কেশরীনাথ ত্রিপাঠী। পেশায় আইনজীবী কেশরীনাথ পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, মেঘালয় ও মিজোরামের রাজ্যপাল হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। কেশরীনাথ ত্রিপাঠী ছয়বার উত্তর প্রদেশের বিধানসভার সদস্য় ছিলেন। ১৯৭৭ থেকে ১৯৭৯ সাল অবধি উত্তর প্রদেশের ক্য়াবিনেট মন্ত্রী হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ছয়বার উত্তর প্রদেশের বিধানসভার সদস্য় ছিলেন। ১৯৭৭ থেকে ১৯৭৯ সাল অবধি উত্তর প্রদেশের ক্য়াবিনেট মন্ত্রী হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এছাড়া তিনি উত্তর প্রদেশে বিজেপির সভাপতিও ছিলেন।
প্রয়াত রাজ্যের প্রাক্তন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী, শোকজ্ঞাপন মুখ্যমন্ত্রীর



২০১৪ সালের ২৪ জুলাই তিনি পশ্চিমবঙ্গের ২০ তম রাজ্যপাল হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০১৯ সাল অবধি তিনি এই দায়িত্ব পালন করেন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের সঙ্গে সদভাব ছিল তাঁর তবে কখনও কখনও মতপার্থক্য দেখা গেছে তার মধ্যে। মুখ্যমন্ত্রী প্রাক্তন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর মৃত্যুতে গভীর শোকপ্রকাশ করেন। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল থাকাকালীনই তিনি দুই দফায় বিহারের রাজ্যপাল হিসাবেও অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তাঁকে মেঘালয় ও মিজোরামের রাজ্যপালের দায়িত্ব দেওয়া হয় এসময় ।







