জাঁকিয়ে শীতের সঙ্গে রাজ্যজুড়ে ঘন কুয়াশা—ভোরের রাস্তায় দৃশ্যমানতা কম, ঠান্ডার কামড়ে নাজেহাল সাধারণ মানুষ। তবে সুখবরও আছে। আবহাওয়ার গতিপথ বলছে, চলতি সপ্তাহের শেষেই বদল আসতে চলেছে। রবিবার থেকেই হাওয়ার দিক ও তাপমাত্রায় পরিবর্তনের ইঙ্গিত, সোমবার থেকে ধীরে ধীরে বাড়বে পারদ। ততদিন পর্যন্ত শীতের স্পেল বজায়—উত্তুরে হাওয়ায় ‘ফিল লাইক টেম্পারেচার’ থাকবে স্বাভাবিকের চেয়েও কম।
উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে শীতল হাওয়া ঢোকায় আপাতত রাজ্যের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নীচেই। মাঘ মাসের শুরুতেও প্রথম ৩–৪ দিন এই ঠান্ডার আমেজ বজায় থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। আগামী কয়েক দিনে রাতের তাপমাত্রায় বড় ওঠানামার সম্ভাবনা নেই; আবহাওয়া মোটের উপর শুষ্কই থাকবে।


কুয়াশাই এখন প্রধান চিন্তা। বৃহস্পতিবার সকালে রাজ্যজুড়ে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা গেলেও শুক্রবার থেকে রবিবার কুয়াশার ঘনত্ব ও বিস্তার বাড়বে। দক্ষিণবঙ্গে নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, হুগলি এবং উত্তর ২৪ পরগনায় বিক্ষিপ্তভাবে ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা। কলকাতা-সহ অন্যান্য জেলাতেও ভোরের দিকে কুয়াশা বাড়বে, বেলা বাড়লে আকাশ পরিষ্কার হবে।
উত্তরবঙ্গের ছবিটা আরও সতর্কতার। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি। কোনও কোনও এলাকায় দৃশ্যমানতা ৫০ মিটারের কাছাকাছি নেমে আসতে পারে। শুক্রবার থেকে রবিবার—এই তিন দিন কুয়াশার প্রভাব সবচেয়ে বেশি থাকার সম্ভাবনা।
কলকাতার আবহাওয়াও একই সুরে। সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা, পরে রোদ উঠবে। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। উত্তুরে হাওয়া অব্যাহত। বৃহস্পতিবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস—স্বাভাবিকের চেয়ে ০.৬ ডিগ্রি কম। বুধবার সর্বোচ্চ ছিল ২৩.০ ডিগ্রি—স্বাভাবিকের চেয়ে ১.৮ ডিগ্রি কম। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৫২ থেকে ৮৭ শতাংশ। আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রা ১২ থেকে ২৩ ডিগ্রির মধ্যেই ঘোরাফেরা করবে।









