সকালের শুরুতেই ভোটারদের লম্বা লাইন—প্রথম দফার নির্বাচনে সকাল ৯টার মধ্যেই রাজ্যের ১৫২টি আসনে গড়ে প্রায় ১৯ শতাংশ ভোট পড়ে গেল। ভোটদানের এই গতি ইঙ্গিত দিচ্ছে, দিন যত গড়াবে ততই বাড়তে পারে অংশগ্রহণ। জেলাভিত্তিক হিসাবে আপাতত শীর্ষে পশ্চিম মেদিনীপুর, যা শুরুতেই এগিয়ে থেকে নজর কেড়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণের প্রথম দুই ঘণ্টায় রাজ্যজুড়ে ভোট পড়েছে ১৮.৭৬ শতাংশ। বিভিন্ন জেলায় ভোটদানের হার মোটামুটি সমান থাকলেও কিছু জেলায় তুলনামূলক বেশি সাড়া মিলেছে। পশ্চিম মেদিনীপুরে সকাল ৯টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ২০.৫১ শতাংশ, যা এই মুহূর্তে সর্বোচ্চ। কাছাকাছি রয়েছে বাঁকুড়া (২০.২০%) এবং ঝাড়গ্রাম (১৯.৮৪%)।


অন্যদিকে বীরভূমে ১৯.০১ শতাংশ এবং পশ্চিম বর্ধমানে ১৯ শতাংশ ভোট পড়েছে। মুর্শিদাবাদে ১৮.৮৮ শতাংশ, দক্ষিণ দিনাজপুর ও পূর্ব মেদিনীপুরে ১৮.৮১ শতাংশ করে ভোট পড়েছে। দার্জিলিং ও কালিম্পঙে ভোটের হার যথাক্রমে ১৮.৮০ এবং ১৮.৭৪ শতাংশ। জলপাইগুড়িতে ১৮.৫০ শতাংশ এবং আলিপুরদুয়ারে ১৭.৭০ শতাংশ ভোটগ্রহণ হয়েছে।
উত্তরবঙ্গের কিছু জেলায় তুলনামূলক কম সাড়া দেখা গিয়েছে—কোচবিহারে ১৭.৫৬ শতাংশ এবং উত্তর দিনাজপুরে ১৭.৫৪ শতাংশ ভোট পড়েছে। মালদহে এই হার সবচেয়ে কম, ১৬.৯৬ শতাংশ। পুরুলিয়ায় ১৭.৮৩ শতাংশ ভোট পড়েছে।
প্রথম দফায় মোট ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ চলছে, যেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১৪৭৮ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে মহিলা প্রার্থী রয়েছেন ১৬৭ জন। উত্তরবঙ্গের সমস্ত জেলা, পশ্চিমাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিম বর্ধমান এবং পূর্ব মেদিনীপুর—সব মিলিয়ে এই দফায় ভোটের গুরুত্ব যথেষ্ট বেশি।


আসন সংখ্যার নিরিখে মুর্শিদাবাদে সবচেয়ে বেশি ২২টি আসন রয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে ১৬টি, পশ্চিম মেদিনীপুরে ১৫টি এবং মালদহ ও বাঁকুড়ায় ১২টি করে আসনে ভোট হচ্ছে। কোচবিহার ও উত্তর দিনাজপুরে ৯টি করে আসন রয়েছে। এছাড়া বীরভূমে ১১টি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৬টি, আলিপুরদুয়ারে ৫টি এবং কালিম্পঙে একটি আসনে ভোট চলছে।








