রাজ্যে গোকুল মিশন প্রকল্প চালুর ইঙ্গিত ঘিরে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। গো-পালন, দুগ্ধ উৎপাদন বৃদ্ধি, সাধারণ মানুষের কাছে তুলনামূলক কম দামে দুধ পৌঁছে দেওয়া এবং গোশালা ব্যবস্থাকে আরও সংগঠিত করার লক্ষ্যে একাধিক পদক্ষেপের কথা সামনে আনলেন মন্ত্রী দিলীপ। একইসঙ্গে বেআইনি গো-হত্যা ও সীমান্তপথে গরু পাচার রোধেও কড়া অবস্থানের বার্তা দেওয়া হয়েছে।
গোশালা মালিকদের সঙ্গে বৈঠকের পর মন্ত্রী জানান, প্রস্তাবিত উদ্যোগে গবাদি পশু পালন, দুগ্ধশিল্পের পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং সরবরাহ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। লক্ষ্য থাকবে উৎপাদন ও বণ্টন ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করে সাধারণ মানুষের নাগালে দুধ পৌঁছে দেওয়া।


মন্ত্রী দিলীপের বক্তব্য, এখানে নতুন কোনও আইনি কাঠামো আনা হচ্ছে না, বরং বিদ্যমান আইন আরও কঠোরভাবে কার্যকর করার উপর জোর দেওয়া হবে। তাঁর কথায়, আইন মেনেই প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করেছে।
নতুন প্রশাসনিক দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই প্রাণিসম্পদ ক্ষেত্রকে সক্রিয় করার বার্তা দিয়েছেন তিনি। এর আগে দফতরে কর্মীসংকটের কথা তুলে ধরে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার কথাও জানিয়েছিলেন। তাঁর দাবি, কর্মী ঘাটতির কারণে বহু কাজ দীর্ঘদিন ধরে আটকে রয়েছে।
এছাড়াও খাদ্যভিত্তিক সামাজিক প্রকল্প নিয়েও নতুন ভাবনার কথা উঠে এসেছে। মা ক্যান্টিনে আগের পরিষেবা বজায় রেখে খাবারের পরিধি বাড়ানোর কথাও জানিয়েছিলেন মন্ত্রী।


তবে গোকুল মিশন প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা, বাস্তবায়নের সময়সীমা এবং অর্থ বরাদ্দ নিয়ে এখনও বিস্তারিত সরকারি ঘোষণা সামনে আসেনি। ফলে আগামী দিনে এই উদ্যোগ কতটা বাস্তব রূপ পায়, সেদিকেই নজর থাকবে সংশ্লিষ্ট মহলের।









