নজরবন্দি ব্যুরোঃ আজ সকাল থেকেই কিছুটা স্বস্তিতে ছিলেন রাজ্যবাসী। কালো মেঘ সরে গিয়েছে। পরিষ্কার আকাশ। রোদে ঝলমল করছে চারদিক। বৃষ্টি হলেও তা অবিরাম নয়। অঝোর ধারার বদলে পড়ছে টিপটিপ করে। তাও বিক্ষিপ্ত। কিন্তু দুর্যোগের ঘনঘটা কার্যত শেষ হয়ে হইল না শেষ। জোড়া নিম্নচাপ হয়েছে বঙ্গোপসাগরে। ফলে অবিরাম বৃষ্টির ধারায় ভাসতে চলেছে বাংলা।
আরও পড়ুনঃ অজানা জ্বরের বলি ৯ শিশু, কোভিডের তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা উত্তরবঙ্গে।


জোড়া নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী ৭ দিন দক্ষিণবঙ্গে ব্যাপক বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও পশ্চিম বর্ধমান সহ কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি ও পূর্ব বর্ধমানে বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। কাল থেকেই আবহাওয়ার পরিবর্তন হবে। সকাল থেকেই শুরু হবে বৃষ্টি। সাথে বইবে ঝোড়ো হাওয়া। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে জারি করা হচ্ছে হলুদ সতর্কতা।
বজ্র বিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে আবহাওয়া দফতরের তরফে। এদিকে কদিন ধরে টানা বৃষ্টির পর আজ সারাদিন চড়া রোদ উঠলেও অবিরাম বর্ষণে জলমগ্ন কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকা। সাথে প্লাবিত একাধিক জেলা। ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে লাখো মানুষের। একাধিক মৃত্যু হয়েছে বিদ্যুৎষ্পৃষ্ট হয়ে। সব মিলিয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি রয়েছে বাংলায়। একে এই অবস্থা তারউপর যদি আবার তানা বৃষ্টি শুরু হয় আগামিকাল থেকে তাহলে কি হবে তা ভেবেই আতঙ্কিত আমজনতা।
শেষ হয়ে হইল না শেষ, ফের বাংলার আকাশে দুর্যোগের ঘনঘটা।

এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৃষ্টি নিয়ে সতর্ক করেছেন জনগন কে। তবে তিনি জানিয়েছেন এখন আর আগের মত জল যন্ত্রনা পোহাতে হয় না মানুষ কে। তাঁর কথায়, “বাংলা নৌকার মতো। পাশাপাশি রাজ্যে বৃষ্টি হলে এখানে জল চলে আসে। আগে বৃষ্টি হলে ৭-১০ দিন জল থাকত। এখন অনেক পাম্পিং স্টেশন করা হয়েছে। বৃষ্টি বেশি হলে সতর্ক থাকুন। জল জমলে বিদ্যুতের খুঁটিতে হাত দেবেন না।”









