মুচলেখা দিতে হবে শিক্ষকদের, সমস্ত ফেল করা পড়ুয়াকে পাশ করানো হচ্ছে HS-এ!

মুচলেখা দিতে হবে শিক্ষকদের, সমস্ত ফেল করা পড়ুয়াকে পাশ করানো হচ্ছে HS-এ!
মুচলেখা দিতে হবে শিক্ষকদের, সমস্ত ফেল করা পড়ুয়াকে পাশ করানো হচ্ছে HS-এ!

নজরবন্দি ব্যুরোঃ সমস্ত ফেল করা পড়ুয়াকে পাশ করানো হচ্ছে HS-এ, বিক্ষোভ রুখতে নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত সংসদের। শুধু তাই নয়, মুচলেখা দিতে হবে শিক্ষকদের! উচ্চ মাধ্যমিকের রেজাল্ট প্রকাশিত হবার পর থেকেই রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন স্কুলে চলছে বিক্ষোভ। উচ্চ মাধ্যমিকের ফল ঘোষণার পর দেখা যায় কিছু সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী কে ফেল করানো হয়েছে। সূত্রের খবর রাজ্যের মোট ৩ হাজার ৬২০ টি স্কুল থেকে ফেল করেছেন পড়ুয়ারা। যার মধ্যে কলকাতাতেই রয়েছে ১৬৪ টি স্কুল।

আরও পড়ুনঃ উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতির CBI তদন্ত, সিদ্ধান্ত নেবে ডিভিশন বেঞ্চ।

রিপোর্ট অনুযায়ী, উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ৩৩০টি স্কুলের পড়ুয়ারা অকৃতকার্য হয়েছেন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ২৭০ স্কুলের পড়ুয়ারা অকৃতকার্য হয়েছেন। পূর্ব মেদিনীপুরের ৩২২টি স্কুলের পড়ুয়ারা অকৃতকার্য হওয়ার রিপোর্ট উঠে এসেছে। প্রায় সব জেলাতেই রয়েছে শতাধিক স্কুল। সার্বিকভাবে রাজ্যের ৩ হাজার ৬২০ টি স্কুল থেকে অকৃতকার্য হয়েছেন কয়েক হাজার পড়ুয়া।

বিক্ষোভ রুখতে নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিল উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। সূত্রের খবর, সমস্ত ফেল করা পড়ুয়াকে পাশ করানো হচ্ছে HS-এ। ৩০ জুলাই থেকে নতুন মার্কশিট পাবেন পড়ুয়ারা। তবে মুচলেখা দিতে হবে শিক্ষকদের, ইতিমধ্যেই একটি ছাপানো মুচলেকা ডিআইদের মাধ্যমে স্কুল কর্তৃপক্ষের থেকে সই করিয়ে নিচ্ছে সংসদ। মুচলেকায় প্রধান শিক্ষক বা শিক্ষিকা বা টিচার ইনচার্জদের জানাতে হচ্ছে, “আমাদের ত্রুটির কারণেই কিছু ছাত্র-ছাত্রীর ভুল নম্বর এসেছে। তার জন্য আমরা ক্ষমা চাইছি। দয়া করে নতুন মার্কশিট দেওয়া হোক।”

মুচলেখা দিতে হবে শিক্ষকদের, সমস্ত ফেল করা পড়ুয়াকে পাশ করানো হচ্ছে HS-এ!

গতকালই উচ্চ শিক্ষা সংসদ বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছিল, “সমস্ত বিদ্যালয়ের প্রধানদের জানানো হচ্ছে, উচ্চ মাধ্যমিকের ২০২১ সালের ফলাফলের ভিত্তিতে অকৃতকার্য ছাত্র-ছাত্রীদের অসন্তোষের বিষয়টি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ ইতিমধ্যেই উপযুক্ত ব্যবস্থা নিয়েছে।”

এরপরেই উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ জানিয়েছে, “বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের অনুরোধ করা হচ্ছে তারা যেন উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক কার্যালয় ২৯ জুলাই থেকে যোগাযোগ করেন। অসন্তুষ্ট ছাত্র-ছাত্রীদের অনুরোধ করা হচ্ছে তারা যেন সংশ্লিষ্ট স্কুলের প্রধানদের সঙ্গে ৩০ জুলাই থেকে যোগাযোগ করেন।”

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here