নজরবন্দি ব্যুরোঃ উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতির CBI তদন্ত, সিদ্ধান্ত নেবে ডিভিশন বেঞ্চ। নিয়োগে বেনিয়মের অভিযোগে জনস্বার্থে মামলা দায়ের করেছিলেন উলুবেড়িয়ার বাসিন্দা সুব্রত মণ্ডল। তার দাবি ছিল উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতির CBI তদন্ত করতে হবে। আর সিবিআই না হলেও CID-র হাতে তুলে দিতে হবে তদন্ত ভার। আজ সেই মামলা আজ উঠেছিল কলকাতা হাইকোর্টে।
আরও পড়ুনঃ কবে খুলবে স্কুল, কলেজ? নতুন নির্দেশিকা জারি করল সরকার


প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দল ও বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ আবেদনটি গ্রহণ করেনি এদিন। জানিয়ে দেওয়া হয় তাঁরা এই মামলায় হস্তক্ষেপ করবেন না। এই সংক্রান্ত মূল মামলাটি যে বেঞ্চে চলছে সেখানেই আবেদন করতে হবে। মূল মামলাটি চলছে বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে।
দীর্ঘদিন ধরে চাকরির আশায় দিন গুনছেন কয়েক হাজার চাকরিপ্রার্থী। দিন কয়েক আগেই এসএসসির প্রকশিত করা প্রার্থী তালিকায় অসঙ্গতির অভিযোগে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। তার কয়েকদিনের ভেতরেই আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী প্রার্থীদের নাম প্রাপ্ত নাম্বার সহ এসএসসি’র তরফে প্রকাশ করা হয় আরও একটি তালিকা।
সেখানে যাঁদের নাম ওঠেনি তাদেরও নিজেদের ডকুমেন্ট নিয়ে আসার কথা বলা হয়েছিল। তার পরেও ওই মেধাতালিকা নিয়ে মামলা দায়ের করেছিলেন কিছু মানুষ। তবে সেবারের মতো নিয়োগে গ্রিণ সিগন্যাল দিয়েছিল আদালত। সেই মতো হাজার হাজার চাকরী প্রার্থী দীর্ঘ দিনের অপেক্ষার অবসানে যাচ্ছিলেন ইন্টারভিউ দিতে।


উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতির CBI তদন্ত, বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ।
ইন্টারভিউর দিনেই নিয়োগে স্থগিতাদেশের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। জানানো হয়েছিল তালিকায় অস্বচ্ছতা আছে। সেই কারণেই ইন্টারভিউ হলেও এখনই নিয়োগ করা যাবে না কাউকে। ইন্টারভিউর পর নাম্বার দিয়ে তৈরি করতে হবে পৃথক তালিকা এবং তা ফের জমা দিতে হবে।
হাজার জটিলতা নিয়ে বারবার আটকে যাচ্ছে হাজার হাজার প্রার্থীর স্বপ্ন। তার মধ্যেই ফের উলুবেড়িয়ার সুব্রত মন্ডল নামে এক জনৈক ব্যাক্তি নিয়োগের অনিয়মে CID বা CBI তদন্তের দাবি জানিয়ে জনস্বার্থে মামলা দায়ের করেন কলকাতা হাইকোর্টে।







