নজরবন্দি ব্যুরো: প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছেন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী! তাও তৃণমূল নেতাদের থেকে। চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলে পুলিশের দ্বারস্থ হলেন তিনি। শান্তিনিকেতনের নামফলক বিতর্ক জারি আছে। ফলকে প্রতিষ্ঠাতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম না থাকার প্রতিবাদে সেখানে মঞ্চ বেঁধে ধর্না শুরু করেছে তৃণমূল। আর সেই ধর্না মঞ্চ থেকেই নাকি প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছেন বিদ্যুৎ। যদিও শাসক দলের সাফাই, ফলক বিতর্ক থেকে নজর ঘোরাতে এই অভিযোগ।
আরও পড়ুন: সরকারি কর্মীদের জন্য সুখবর, নভেম্বরে মিলবে ৪ টি বাড়তি ছুটি


গত মাসেই শান্তিনিকেতনের মুকুটে নয়া পালক জুড়েছে। ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ ঘোষণা করেছে ইউনেস্কো। তারপরই বিশ্বভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের একটি পদক্ষেপ যথেষ্ট বিতর্ক তৈরি করে। ইউনেস্কোর হেরিটেজ প্রাপ্তির ফলকে নেই রবীন্দ্রনাথেরই নাম! সেখানে লেখা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর নাম।

এর প্রতিবাদেই মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মেনে ইউনেস্কোর ঐতিহ্যমণ্ডিত শান্তিনিকেতনের নামফলকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম ফেরানোর দাবি নিয়ে ধর্না শুরু করল তৃণমূল নেতৃত্ব। বোলপুরের বিধায়ক তথা মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার নেতৃত্বে বিশ্বভারতীর সামনে ধর্না মঞ্চ বাঁধা হয়েছে। সেখানেই অবস্থান বিক্ষোভে বসেছেন এলাকার দলীয় নেতা, কর্মীরা।


এবার বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর অভিযোগ, ধর্না মঞ্চ থেকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে তাঁকে। ‘শ্মশানে পাঠিয়ে দেওয়া হবে’ এরকমও বলা হচ্ছে বলে দাবি তাঁর। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বোলপুর থানায় ই-মেইলের মাধ্যমে অভিযোগ করেছেন তিনি।

প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে, অভিযোগ তুলে পুলিশের দ্বারস্থ বিশ্বভারতীর উপাচার্য
পাল্টা বিধায়ক তথা মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ বলেছেন, “মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান প্রতিবাদ করছি। উনি নিজের ভুল ঢাকতে এখন অনেক কিছুই করবেন। ফলক বদলে দিলেই তো আর কোনও সমস্যা থাকার কথা নয়।”








