নজরবন্দি ব্যুরোঃ উচ্চ প্রাথমিক মামলায় বড় খবর। প্রায় ১৪ হাজার শূণ্যপদ থাকা সত্ত্বেও আটকে রয়েছে নিয়োগ। কারন হাইকোর্টে চলছে একাধিক মামলা। কদিন আগেই স্কুল সার্ভিস কমিশন সচেষ্ট হয়েছে দ্রুত মামলার নিষ্পত্তি ঘটানোর জন্যে। স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে আজ আবেদন রাখা হয় উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ মামলা নিয়ে একটি স্পেশাল কোর্ট বসানোর। পাশাপাশি চলতি বছরেই নিয়োগের ইশারা করেছে কমিশন। কমিশন সূত্রে খবর কাউন্সেলিংয়ের জন্য এখন চাকরিপ্রার্থীদের স্কুল সার্ভিস কমিশনের দফতরে আসতে হবে না। অনলাইনেই পছন্দমত স্কুল বাছাইয়ের সুযোগ পাবেন নয়া শিক্ষকরা।
আরও পড়ুনঃ শুভেন্দুর ঈর্শনীয় জনপ্রিয়তায় শঙ্কিত মমতা? ব্যানার যুদ্ধ শুরু পূর্ব মেদিনীপুরে।


স্কুল সার্ভিস কমিশন জানিয়েছে ১৪ হাজার পদের সাথে যুক্ত হচ্ছে আরও ৫ হাজার শূণ্যপদ। স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফে প্রধান বিচারপতির কাছে বিষয়টি মেনসন করা হয়েছে স্পেশাল কোর্ট বসানোর আবেদনের পাশাপাশি। এই পরিস্থিতিতে আগামী পরশু অর্থাৎ ২৪শে আগস্ট এই মামলার শুনানি হতে চলেছে কলকাতা হাইকোর্টে। ২৪ তারিখ উচ্চ প্রাথমিকের মামলাটি ১ নম্বর সিরিয়ালে আছে। তাই যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে শুনানি হওয়ার।(আরও পড়ুনঃ রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে প্রায় ৭৮ শতাংশ। ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ৪৮ জনের।)
উল্লেখ্য পুজোর আগে উচ্চপ্রাথমিকে নিয়োগের ব্যাপারে সচেষ্ট ছিল কমিশন। কদিন আগে স্কুল সার্ভিস কমিশনের ৩ কর্মী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর জানার সময় নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে সূত্র জানায় একথা। সূত্র জানিয়েছিল পুজোর আগে নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত ছিল। কিন্তু মেরিট লিস্টে অসঙ্গতির কারন দেখিয়ে কয়েকটি মামলা হওয়ায় সেগুলি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নিয়োগ করা যাচ্ছেনা।
সূত্র কে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন শিক্ষামন্ত্রী আগেই সবুজ সংকেত দিয়েছেন। এখন অপেক্ষা করা হচ্ছে আদালতের রায় আসার জন্যে। তাই আদালতের কাছে আবেদন করা হয়েছে স্পেশাল কোর্ট বসানোর জন্যে। সূত্র কে নজরবন্দির তরফে জানতে চাওয়া হয় যদি আদালতের রায় মামলাকারীদের পক্ষে যায় সেক্ষেত্রে সেই রায় কে চ্যালেঞ্জ করে রাজ্য সরকার অন্য কিছু সিদ্ধান্ত নিতে পারে কিনা। সরাসরি এই প্রশ্নের উত্তর না দিলেও সূত্র বুঝিয়ে দিয়েছেন পুজোর আগে নিয়োগ করাই তাঁদের লক্ষ্য, অপেক্ষা শুধুমাত্র আদালতের চূড়ান্ত রায়ের।


কদিন আগে কলকাতা হাইকোর্টে মামলার শুনানি পর্বে আদালত বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেয়। মামলায় কমিশনের পক্ষ থেকে আদালতের কাছে শর্ত সাপেক্ষে নিয়োগের অনুমতি চাইলে মামলাকারীদের তরফে আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য, ফিরদৌস শামিম, সুবীর সান্যাল এবং দিব্যেন্দু চ্যাটার্জিরা কমিশনের তীব্র বিরোধিতা করেন। এখন দেখার ৭ বছরের বঞ্চনার অবসান আগামী পরশু অর্থাৎ ২৪ আগস্টেই ঘটে কিনা।








