‘মুক্তি দিন’ সামাজিক মাধ্যমে ঝড় উচ্চ প্রাথমিক চাকুরিপ্রার্থীদের।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ ‘মুক্তি দিন’ সামাজিক মাধ্যমে ঝড় উচ্চ প্রাথমিক চাকুরিপ্রার্থীদের। ইচ্ছামত টেটের নাম্বার বাড়িয়ে দেওয়া, রেসিও না মানা প্রভৃতি অভিযোগে জেরবার আপার প্রাইমারি নিয়োগ সংক্রান্ত মামলা চলছে কলকাতা হাইকোর্টে। একদিকে যখন হাইকোর্টে তারিখের পর তারিখ শুনানি হয়েই চলেছে উচ্চপ্রাথমিক নিয়োগ মামলায় তখন অন্যদিকে আজ বর্ষপূর্তি হল নিয়োগের মেরিট লিস্ট প্রকাশিত হওয়ার!

আরও পড়ুনঃ শুভেন্দু অধিকারী বিজেপি-তে? স্যানিটাইজ করে দলে ঢোকাব! বক্তা দিলীপ।

Shamim Ahamed Ads

আজ অর্থাৎ ৪ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে উচ্চ প্রাথমিক নিয়োগের মেরিট লিস্ট প্রকাশিত হয়। আজ তার বর্ষপূর্তি! একদিকে হাইকোর্টে ঝুলে রয়েছে মামলা, শুনানি চলছে দিনের পর দিন আর অন্যদিকে বয়েস বাড়ছে চাকুরিপ্রার্থীদের। এই পরিস্থিতিতে উচ্চ প্রাথমিকের চাকরিপ্রার্থীরা নিজেদের আর্তি তথা প্রতিবাদ জনসমক্ষে তুলে ধরার জন্যে অনন্য পদ্ধতি অবলম্বন করল।

‘মুক্তি দিন’ সামাজিক মাধ্যমে ঝড় উচ্চ প্রাথমিক চাকুরিপ্রার্থীদের। আজ ৪ অক্টোবর মেরিট লিস্ট প্রকাশিত হওয়ার বর্ষপূর্তির দিনে চাকুরিপ্রার্থীরা সামাজিক মাধ্যম কে হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিল। আজ চাকুরিপ্রার্থীরা “মুক্তি দিন আপারপ্রাইমারি” নামক একটি পোস্টার ট্যুইট করছেন দলে দলে। সাথে থাকছে হ্যাসট্যাগে প্রতিবাদ। #speakupforupperprimary #Upperprimary

উল্লেখ্য, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কোন সোশ্যাল পোস্ট বা মুখ্যমন্ত্রীর পোস্ট বা ফেসবুক লাইভের তলায় হাজার হাজার চাকরিপ্রার্থীদের একাধিক ক্ষোভযুক্ত দাবি বিভিন্ন সময়ে চোখে পড়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। বিশেষ সূত্রের খবর, মমতা বন্দোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন আইনি জটিলতা কাটলেই দ্রুত নিয়োগ করতে হবে উচ্চ প্রাথমিকে। সেই কারনেই তড়িঘড়ি গঠন করা হয়েছে ৭ সদস্যের টাস্ক ফোর্স।

শিক্ষা দফতরের আশা অক্টোবর বা নভেম্বরের মাঝামাঝি হাইকোর্টের রায় হাতে চলে আসবে। সেক্ষেত্রে যেমন রায় দেবে হাইকোর্ট সেইভাবেই নিয়োগ করা হবে। সূত্র জানাচ্ছে, অন্য বেঞ্চ বা সর্বোচ্চ আদালতে কোন অ্যাপিল করবে না রাজ্য সরকার। সূত্র জানিয়েছে করোনা পরিস্থিতিতে অনলাইনে হবে কাউন্সেলিং। সেভাবেই প্রস্তুতি চলছে।

সূত্রের খবর অনলাইনে কাউন্সেলিং এর পাশাপাশি ভার্চুয়াল মাধ্যমেই কিভাবে নিয়োগপত্র দেওয়া যায় তা খতিয়ে দেখছে টাস্ক ফোর্স। জানা গেছে উচ্চ প্রাথমিক এর শূন্য পদ রয়েছে ১৪ হাজার ৩৩৯টি। এই সবকটি পদেই বছর শেষ হওয়ার আগে নিয়োগ করবে রাজ্য সরকার। সূত্র জানিয়েছে ডিসেম্বর নাগাত স্কুল খুলতে পারে। কমবেশি ক্লাস শুরু হবে জানুয়ারিতে, তার আগেই শিক্ষকের অভাব পূরনে এই ১৪ হাজার ৩৩৯টি পদে নিয়োগ করা হবে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত