নজরবন্দি ব্যুরোঃ সম্প্রতি গ্রুপ সি পদে কর্মরত ৮৪২ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এর মধ্যে ৫৭ জনের সুপারিশপত্র ছাড়াই চাকরি হয়েছে। এমনটাই আদালতের কাছে জানিয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। বাকি জনের নম্বরে গরমিলের অভিযোগ উঠেছে। এবার গ্রুপ সি পদেই চূড়ান্ত গরমিলের অভিযোগ উঠল। ফলে আরও বাড়ছে চাকরি বাতিলের সংখ্যা। এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
আরও পড়ুনঃ Suvendu Adhikari: নন্দীগ্রামের সভায় একাধিক শর্ত মানতে হবে, শুভেন্দুকে নির্দেশ হাইকোর্টের



গত ১০ তারিখ গ্রুপ সি মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতির পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছিল বিস্ফোরক তথ্য। যেখানে তিনি দাবি করছিলেন, এই দুর্নীতি চক্রের সঙ্গে স্কুল সার্ভিস কমিশনের আধিকারিকরা যুক্ত রয়েছে। এরপরেই স্কুল সার্ভিস কমিশনের গ্রুপ সি কর্মী নিয়োগের আড়ালে থাকা ৩৪৭৮ টি ওএমআর শিট প্রকাশের নির্দেশ দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।

তাঁর নির্দেশ ছিল, আড়ালে থাকা এবং নম্বর কারচুপি করা উত্তরপত্রগুলিকে অবিলম্বে স্কুল সার্ভিস কমিশনকে নিজদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এই তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। এসএসসি জানিয়েছে, ওএমআর শিট খতিয়ে দেখার দায়িত্ব যে নাইসার ওপর দেওয়া হয়েছিল, তাঁদের সার্ভারে যেখানে গ্রুপ সি পরীক্ষার্থীদের প্রাপ্ত নম্বর ৪০ দেখানো হয়েছে। সেখানে কমিশনের ওয়েবসাইটে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১০ নম্বরে। আবার কোথাও নম্বর ০ থেকে বেড়ে হয়েছে ৫৭। কীভাবে এই কারচুপি? তা জানতেই তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দেন বিচারপতি।


আরও বাড়ছে চাকরি বাতিলের সংখ্যা, ৩০৩০ জনের নম্বরে গরমিল

বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ মেনে ৩৪৭৮ জনের তালিকা প্রকাশ করল কমিশন। যার মধ্যে ৩০৩০ জনের নম্বরে কারচুপি করার অভিযোগ অভিযোগ উঠেছে। ফলত আগামী দিনে চাকরি বাতিলের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।







