নজরবন্দি ব্যুরোঃ তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার মেয়ো রোডের জনসভা। দলের ছাত্রযুবদের উদ্দেশে বার্তা দেবেন নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কাজ ঠিক হচ্ছে কিনা দেখার জন্য রবিবার সন্ধ্যায় সভাস্থল পরিদর্শন করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য এবং দক্ষিণ কলকাতা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি সার্থক বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুনঃ নেহরু কাপ দেখতে শাহকে আমন্ত্রণ বিজয়নের, রাম-বাম বন্ধুত্বের অভিযোগে সরগরম কেরালা!


২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবস পালনের দিনই এই কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেন খোদ তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও এই বছর এই কর্মসূচিতে একটু পরিবর্তন আনেন মমতা। ১৪ অগস্ট বেহালার একটি দলীয় কর্মসূচি থেকে মমতা জানান, ‘বার্ষিক এই কর্মসূচিটি ২৮ অগস্টের পরিবর্তে ২৯ অগস্ট হবে। তৃণমূলের বার্ষিক কর্মসূচিতে একটি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় ২৮ অগস্ট এই দিনটি কে।’ কোভিড-পর্ব মেটার পর মমতা ছাত্র-যুবদের জন্য কী বার্তা দেন, তাঁর দিকে তাকিয়ে সকলেই।

ইতিমধ্যেই দূরবর্তী জেলাগুলি থেকে ছাত্রযুবরা এসে পৌঁছেছেন শহরের নানা স্থানে। তাঁদের থাকা এবং খাওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে তৃণমূলের তরফে। ঠিক তাঁর আগে, রবিবার দলের ‘সেকেন্ড-ইন-কম্যান্ড’ অভিষেক সভার প্রস্তুতি দেখতে আসায় উজ্জীবিত দলের কর্মী-সমর্থকরা। অভিষেকের সভাস্থল পরিদর্শন করার ছবি তৃণমূলের ট্যুইটার হ্যান্ডলে পোস্ট করা হয়েছে ইতি মধ্যে।



২১ জুলাই তৃণমূলের মেগা সমাবেশের পর বঙ্গ রাজনীতিতে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। ঘটে গিয়েছে পার্থ, অনুব্রত মত ঘটনা। গতবার ধর্মতলার সমাবেশে যিনি সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন, দলের সেই প্রাক্তন মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় এখন নিয়োগ দুর্নীতি-কাণ্ডে বন্দি রয়েছেন প্রেসিডেন্সি জেলে। অন্য দিকে দলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলও গরু পাচার-কাণ্ডে এই মুহুর্তে আসানসোলের জেলে বন্দি রয়েছেন।
২১-এর সঞ্চালক এখন জেলে, ২৯-এর সমাবেশে কি বার্তা দেবেন মমতা? তাকিয়ে সবাই।

শাসকদলের বিরুদ্ধে সীমাহীন দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিরোধীরা যখন শাসক তৃণমূলকে কোণঠাসা করতে তৎপর। তখন দলের কর্মী সমর্থকদের নতুন করে উজ্জীবিত করতে কী কৌশল ঠিক করেন দলনেত্রী, তা জানতে উৎসুক দলের কর্মী সমর্থকরাও। সেই সাথে বিরোধীদের উদ্দেশে কি বলবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেদিকেই তাকিয়ে সবমহল।







