মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে একজন মহিলা। আর যদি ২০১১ সালের পর থেকে থেকে এই মাঝের ১৩ বছরে তৃণমূল যে ক’টি নির্বাচনে জিতেছে তার ফলাফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, মহিলাদের একটা বিরাট অংশ জোড়াফুলের সমর্থনেই থেকেছে বারংবার। মেয়েদের জন্য একাধিক প্রকল্পও এনেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কন্যাশ্রী, রূপশ্রীর সঙ্গে হালে যোগ হয়েছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। আর এই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ‘কামাল’ সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনেও দেখা গিয়েছে। আর এবার মহিলাদের আরও সমর্থন টানতে বিশেষ কর্মসূচি নিতে চলেছে তৃণমূল।
সূত্রের খবর, আগামী ১ অগস্ট থেকে টানা একমাসব্যাপী রাজ্যের সমস্ত ব্লক ও পুর অঞ্চলে ‘বৈঠকী সাক্ষাৎ’ করবে তৃণমূল মহিলা কংগ্রেস। এরপর আবার সেপ্টেম্বর মাসে প্রথম দুইসপ্তাহব্যাপী সাংগঠনিক জেলায় ‘মুখোমুখি আমরা’ নামে দলের মহিলা কর্মী ও সদস্যদের নিয়ে কর্মিসভা করা হবে। শনিবার তৃণমূল ভবনে তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের রাজ্য কমিটি ও জেলা সভাপতিদের নিয়ে বর্ধিত কর্মসমিতির বৈঠকের পর এই কর্মসূচির কথা জানিয়েছেন রাজ্য মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।

আরও জানা গিয়েছে, আগামী ৩ জুলাই থেকে ১৮ জুলাই, ২১ জুলাই ‘ধর্মতলা চলো’-র সমর্থনে প্রতিটি জেলায় মহিলাদের কর্মিসভা হবে। সামনেই আবার তৃণমূলের শহিদ দিবস রয়েছে। সেখানেই ২১ জুলাই প্রত্যেকটি জেলা থেকেই আগেরবারের চেয়ে অনেক বেশি সংখ্যায় মহিলা কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে আসার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মহিলাদের সমর্থনেই ব্যাপক সাফল্য, আরও ‘লক্ষ্মীলাভে’ বিশেষ কর্মসূচি তৃণমূলের!

অর্থাৎ, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখে এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু করে দিতে চায় তৃণমূল। সেখানে মহিলাদের বিরাট একটা অংশের সমর্থন আদায় করতে পারলে জয় আরও সহজ হয়। আগামী দু’বছর মহিলাদের জন্য যে বিভিন্ন প্রকল্প চালু রয়েছে রাজ্য সরকারের, তা সকলের কাছে পৌঁছচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করতে চায় জোড়াফুল শিবির। অসমর্থিত সূত্রের খবর, আগামী বিধানসভার আগে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা আরও বাড়িয়ে দিতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।



