দিল্লির রাজনৈতিক মহলে সোমবারের একটি বৈঠক ঘিরে তুমুল জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূল সাংসদদের বৈঠক বিজেপির শীর্ষ নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে হওয়ায় রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সূত্রের দাবি, তৃণমূলের একাধিক ‘বিদ্রোহী’ সাংসদ সেখানে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও।
দুপুরে দিল্লিতে ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। রাজনৈতিক সূত্রের খবর, তৃণমূলের সংসদীয় দলের ভবিষ্যৎ এবং সম্ভাব্য রাজনৈতিক পদক্ষেপ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে সেখানে। সেই কারণেই বৈঠকটিকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।


সূত্রের দাবি, বৈঠকে তৃণমূলের লোকসভার ১১ জন সাংসদ উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার, হাওড়ার প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, বীরভূমের শতাব্দী রায়, বোলপুরের অসিত মাল এবং মথুরাপুরের বাপি হালদার।
এছাড়াও বৈঠকে যোগ দেন মেদিনীপুরের সাংসদ জুন মালিয়া, কোচবিহারের জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া, ঝাড়গ্রামের কালীপদ সরেন, বাঁকুড়ার অরূপ চক্রবর্তী, ব্যারাকপুরের পার্থ ভৌমিক এবং বর্ধমান পূর্বের সাংসদ শর্মিলা সরকার।
রাজনৈতিকভাবে আরও তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, সম্প্রতি তৃণমূল এবং রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া সুখেন্দুশেখর রায়ও এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে বৈঠককে ঘিরে জল্পনা আরও বেড়েছে।


যদিও বৈঠক নিয়ে কোনও পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে মুখ খোলেনি, তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, তৃণমূলের সংসদীয় শিবিরে বড়সড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা নিয়েই আলোচনা হয়েছে। সেই কারণেই দিল্লির এই বৈঠককে ঘিরে রাজ্য ও জাতীয় রাজনীতিতে কৌতূহল তুঙ্গে উঠেছে।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



